নিজস্ব প্রতিবেদক, চিলমারী (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মাচাবান্দা এলাকায় দুই বছরের শিশু আয়শাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নারী কোহিনুর বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তারের পর জানা গেছে এক রোমহর্ষক তথ্য। জবানবন্দিতে ঘাতক কোহিনুর স্বীকার করেছেন, কেবল আতঙ্ক থেকে বাঁচতে শিশুটিকে ড্রামে আটকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি।
কোহিনুর বেগম ওই এলাকার আপেল মিয়ার স্ত্রী। গত ১৭ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর শিশু আয়শার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল বাড়ির আঙিনায় কোহিনুরের সন্তানের সঙ্গে খেলছিল শিশু আয়শা। খেলার একপর্যায়ে কোহিনুরের সন্তানের হাতের কলমের আঘাতে আয়শার চোখে গুরুতর জখম হয়। চোখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকায় শিশুটি যন্ত্রণায় চিৎকার শুরু করে।
আয়শার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কোহিনুর। ঘটনা ধামাচাপা দিতে তিনি তাৎক্ষণিক আয়শার মুখ চেপে ধরেন এবং তাকে একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতরে ঢুকিয়ে মুখ আটকে দেন। দীর্ঘক্ষণ ড্রামের ভেতর আটকা পড়ে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিশুটি মারা যায়।
আয়শা নিখোঁজ হওয়ার পর এলাকায় তোলপাড় শুরু হলে এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হলে কোহিনুর ঘাবড়ে যান। পরে সুযোগ বুঝে ড্রাম থেকে লাশ বের করে রাতের অন্ধকারে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে আসেন। পরবর্তীতে সেখান থেকেই আয়শার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, তদন্তের শুরু থেকেই কোহিনুরের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। আজ তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।
একনজরে ঘটনা:
নিহত: আয়শা (০২)।
অভিযুক্ত: কোহিনুর বেগম (স্বামী- আপেল)।
হত্যাকাণ্ডের তারিখ: ১৭ এপ্রিল।
হত্যার ধরন: ড্রামে আটকে শ্বাসরোধ।
বর্তমান অবস্থা: আসামি গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি।
চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আসামিকে আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা অন্য কারো প্ররোচনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, চিলমারী (কুড়িগ্রাম)
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মাচাবান্দা এলাকায় দুই বছরের শিশু আয়শাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত নারী কোহিনুর বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তারের পর জানা গেছে এক রোমহর্ষক তথ্য। জবানবন্দিতে ঘাতক কোহিনুর স্বীকার করেছেন, কেবল আতঙ্ক থেকে বাঁচতে শিশুটিকে ড্রামে আটকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তিনি।
কোহিনুর বেগম ওই এলাকার আপেল মিয়ার স্ত্রী। গত ১৭ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর শিশু আয়শার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল বাড়ির আঙিনায় কোহিনুরের সন্তানের সঙ্গে খেলছিল শিশু আয়শা। খেলার একপর্যায়ে কোহিনুরের সন্তানের হাতের কলমের আঘাতে আয়শার চোখে গুরুতর জখম হয়। চোখ দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকায় শিশুটি যন্ত্রণায় চিৎকার শুরু করে।
আয়শার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হওয়ার ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কোহিনুর। ঘটনা ধামাচাপা দিতে তিনি তাৎক্ষণিক আয়শার মুখ চেপে ধরেন এবং তাকে একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতরে ঢুকিয়ে মুখ আটকে দেন। দীর্ঘক্ষণ ড্রামের ভেতর আটকা পড়ে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে শিশুটি মারা যায়।
আয়শা নিখোঁজ হওয়ার পর এলাকায় তোলপাড় শুরু হলে এবং পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে বের হলে কোহিনুর ঘাবড়ে যান। পরে সুযোগ বুঝে ড্রাম থেকে লাশ বের করে রাতের অন্ধকারে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ে ফেলে আসেন। পরবর্তীতে সেখান থেকেই আয়শার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, তদন্তের শুরু থেকেই কোহিনুরের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। আজ তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।
একনজরে ঘটনা:
নিহত: আয়শা (০২)।
অভিযুক্ত: কোহিনুর বেগম (স্বামী- আপেল)।
হত্যাকাণ্ডের তারিখ: ১৭ এপ্রিল।
হত্যার ধরন: ড্রামে আটকে শ্বাসরোধ।
বর্তমান অবস্থা: আসামি গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি।
চিলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আসামিকে আজ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা অন্য কারো প্ররোচনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এলাকায় এ নিয়ে চরম উত্তেজনা ও শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন