নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তার অভিযোগ, ব্যক্তিগত ঠিকানার মতো সংবেদনশীল তথ্য উন্মুক্তভাবে প্রকাশ করায় তিনি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মিতু বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকা জরুরি হলেও, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ইসির এমন নিয়ম প্রার্থীদের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে তিনি মনে করেন। বিশেষ করে বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিগত তথ্য সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম ও নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, প্রার্থীদের পরিচিতি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা যেতে পারে, তবে পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানার মতো সংবেদনশীল তথ্য সীমিত রাখার বিকল্প পদ্ধতি খুঁজে বের করা উচিত।
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। তাই দুই দিক বিবেচনা করেই নির্বাচন কমিশনের উচিত একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তার অভিযোগ, ব্যক্তিগত ঠিকানার মতো সংবেদনশীল তথ্য উন্মুক্তভাবে প্রকাশ করায় তিনি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মিতু বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা থাকা জরুরি হলেও, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ইসির এমন নিয়ম প্রার্থীদের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে তিনি মনে করেন। বিশেষ করে বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিগত তথ্য সহজলভ্য হয়ে যাওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের নিয়ম ও নীতিমালা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, প্রার্থীদের পরিচিতি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা যেতে পারে, তবে পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানার মতো সংবেদনশীল তথ্য সীমিত রাখার বিকল্প পদ্ধতি খুঁজে বের করা উচিত।
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি প্রার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সমান জরুরি। তাই দুই দিক বিবেচনা করেই নির্বাচন কমিশনের উচিত একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া।

আপনার মতামত লিখুন