ঘন ঘন লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও নির্বাহী প্রকৌশলীর রুমে অবস্থানও উত্তেজনা সহ কর্মকর্তারদের অপসারণ দাবি করছে বিক্ষুব্ধ গ্রাহক বিএনপি যুবদলের ও জামাতের নেতাকর্মীরা।
আজ শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন উন্নয়ন বোর্ডের এর জেলা অফিসে গিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি র প্রতিবাদ জানান স্থানীয় বিএনপি. জামাত নেতাকর্মী ও যুবদল নেতা কর্মীরা।
এছাড়া টেন্ডার কাজে অনিয়মের অভিযানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান ও যুবদল নেতা মোস্তাক আহমদ স্বপন দলীয় নেতা কর্মীদেরকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারাও অভিযোগ করেন এই বিদ্যুৎ অফিস মিনি টঙ্গী হিসেবে পরিচিত।
৫ আগস্টের পর এখনো বিভিন্ন রুমের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি এখনো সংরক্ষিত আছে। এবং পুরাতন বিভিন্ন মালামাল অনিয়ম ভাবে টেন্ডার দিয়েছে বলে তারা জানান। তারা এর জন্য নির্বাহী কে প্রকৌশলী দায়ী করেন। এবং তার অপসারণ দাবি করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপী এই নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাও বাক বিতান্ডা হয়। পরে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান মুস্তাক আহমেদ স্বপন পরিস্থিতি শান্ত করেন নেতাকর্মীদেরকে নির্বাহী প্রকৌশলী রুম থেকে বের করে দেন।
পরে বিএনপির ও যুবদল নেতাকর্মীরা সিবিএ এর ওই রুমটি তাদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এবং ওই রুমের তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন।
চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়াই লোডশেডিং হচ্ছে। নিয়ম মোতাবেক টেন্ডার হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া পাঁচ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সিবিএ নেতারা একটি রুম বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনার ছবিগুলো রেখেছে। আমরা ঐ রুমটাতে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। মূলত তারা টেন্ডার বিষয় নিয়ে সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন।।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঘন ঘন লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ বিভাগের অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালীতে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও নির্বাহী প্রকৌশলীর রুমে অবস্থানও উত্তেজনা সহ কর্মকর্তারদের অপসারণ দাবি করছে বিক্ষুব্ধ গ্রাহক বিএনপি যুবদলের ও জামাতের নেতাকর্মীরা।
আজ শনিবার দুপুরে নোয়াখালী বিদ্যুৎ উন্নয়ন উন্নয়ন বোর্ডের এর জেলা অফিসে গিয়ে অনিয়ম দুর্নীতি র প্রতিবাদ জানান স্থানীয় বিএনপি. জামাত নেতাকর্মী ও যুবদল নেতা কর্মীরা।
এছাড়া টেন্ডার কাজে অনিয়মের অভিযানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান ও যুবদল নেতা মোস্তাক আহমদ স্বপন দলীয় নেতা কর্মীদেরকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারাও অভিযোগ করেন এই বিদ্যুৎ অফিস মিনি টঙ্গী হিসেবে পরিচিত।
৫ আগস্টের পর এখনো বিভিন্ন রুমের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি এখনো সংরক্ষিত আছে। এবং পুরাতন বিভিন্ন মালামাল অনিয়ম ভাবে টেন্ডার দিয়েছে বলে তারা জানান। তারা এর জন্য নির্বাহী কে প্রকৌশলী দায়ী করেন। এবং তার অপসারণ দাবি করেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপী এই নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাও বাক বিতান্ডা হয়। পরে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান মুস্তাক আহমেদ স্বপন পরিস্থিতি শান্ত করেন নেতাকর্মীদেরকে নির্বাহী প্রকৌশলী রুম থেকে বের করে দেন।
পরে বিএনপির ও যুবদল নেতাকর্মীরা সিবিএ এর ওই রুমটি তাদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এবং ওই রুমের তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুল বাহার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন।
চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না পাওয়াই লোডশেডিং হচ্ছে। নিয়ম মোতাবেক টেন্ডার হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া পাঁচ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ সিবিএ নেতারা একটি রুম বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনার ছবিগুলো রেখেছে। আমরা ঐ রুমটাতে তালা লাগিয়ে দিয়েছি। মূলত তারা টেন্ডার বিষয় নিয়ে সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন।।

আপনার মতামত লিখুন