বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র আবারও পানির সংকটে বড় ধাক্কা খেয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ–এর পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় কেন্দ্রটির ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৪টিই বন্ধ হয়ে গেছে।
বর্তমানে কেবল একটি ইউনিট সীমিত ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে খুবই কম অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া এবং উজানের পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় হ্রদের পানি কমতে কমতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অধিকাংশ টারবাইন চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতির ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ বাড়ছে, বিশেষ করে যখন গরমের সময়ে চাহিদা বেড়ে যায়। কাপ্তাই কেন্দ্রটি সাধারণত জাতীয় গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও পানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে প্রায়ই এ ধরনের সংকটে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু সাময়িক সমস্যা নয়—বরং জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং পানির ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব ভবিষ্যতে আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই বিকল্প বিদ্যুৎ উৎস বাড়ানো এবং পানি সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
পানি না বাড়া পর্যন্ত বন্ধ থাকা ইউনিটগুলো চালু করা সম্ভব হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ফলে আপাতত দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ কিছুটা বাড়তেই পারে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র আবারও পানির সংকটে বড় ধাক্কা খেয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ–এর পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় কেন্দ্রটির ৫টি ইউনিটের মধ্যে ৪টিই বন্ধ হয়ে গেছে।
বর্তমানে কেবল একটি ইউনিট সীমিত ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন চালিয়ে যাচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে খুবই কম অবদান রাখছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া এবং উজানের পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় হ্রদের পানি কমতে কমতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অধিকাংশ টারবাইন চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
এই পরিস্থিতির ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে চাপ বাড়ছে, বিশেষ করে যখন গরমের সময়ে চাহিদা বেড়ে যায়। কাপ্তাই কেন্দ্রটি সাধারণত জাতীয় গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও পানির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে প্রায়ই এ ধরনের সংকটে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু সাময়িক সমস্যা নয়—বরং জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং পানির ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব ভবিষ্যতে আরও বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই বিকল্প বিদ্যুৎ উৎস বাড়ানো এবং পানি সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।
পানি না বাড়া পর্যন্ত বন্ধ থাকা ইউনিটগুলো চালু করা সম্ভব হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ফলে আপাতত দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ কিছুটা বাড়তেই পারে।

আপনার মতামত লিখুন