“যে জায়গায় রেখে গিয়েছিল মা-বাবা, আজও সেখানেই শুয়ে থাকে ছোট্ট প্রাণ”
“ঝগড়ার এক পর্যায়ে অনাথ আশ্রমের সামনে ফেলে যাওয়া হলো নিষ্পাপ শিশুকে, এখনো বাবা-মায়ের ফেরার অপেক্ষায় চুপচাপ শুয়ে থাকে সে”
চাঁদের মতো সুন্দর ছোট্ট মেয়েটি—কিন্তু তার জীবনের গল্পটা যেন কষ্টে ভরা। অভিযোগ উঠেছে, বাবা-মায়ের পারিবারিক ঝগড়ার এক পর্যায়ে শিশুটিকে একটি অনাথ আশ্রমের সামনে রেখে চলে যান তারা। এরপর আর কখনো খোঁজ নিতে আসেননি।
আশ্রমের কর্মচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একদিন শিশুটির বাবা-মা সেখানে এসে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মেয়েটিকে আশ্রমের সামনে রেখে চলে যান। এমনকি আশ্রম কর্তৃপক্ষের কাছেও আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুটিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এরপর থেকে আশ্রমের কর্মীরাই অন্য শিশুদের মতো তাকে আদর-যত্নে বড় করার চেষ্টা করছেন। তবে শিশুটি নাকি আগের মতো নেই—চুপচাপ থাকে, ঠিকমতো কথা বলে না, খেতেও অনীহা। আশ্রমের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রায়ই গিয়ে শুয়ে থাকে, যেখানে তাকে রেখে যাওয়া হয়েছিল। কর্মচারীদের ধারণা, হয়তো এখনো সে বাবা-মায়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকে।
শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছেও নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শারীরিক কোনো জটিলতা পাওয়া না গেলেও, চিকিৎসকদের ধারণা—বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ও ছেড়ে চলে যাওয়ার মানসিক আঘাতের কারণেই এমন আচরণ করছে শিশুটি।
এমন ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে—বাবা-মায়ের দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী কি তবে নিষ্পাপ শিশুরাই? অনেকেই বলছেন, সম্পর্কের টানাপোড়েনের দায় কখনোই সন্তানের ওপর চাপানো উচিত নয়। কারণ একটি ভুল সিদ্ধান্ত একটি শিশুর পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
“যে জায়গায় রেখে গিয়েছিল মা-বাবা, আজও সেখানেই শুয়ে থাকে ছোট্ট প্রাণ”
“ঝগড়ার এক পর্যায়ে অনাথ আশ্রমের সামনে ফেলে যাওয়া হলো নিষ্পাপ শিশুকে, এখনো বাবা-মায়ের ফেরার অপেক্ষায় চুপচাপ শুয়ে থাকে সে”
চাঁদের মতো সুন্দর ছোট্ট মেয়েটি—কিন্তু তার জীবনের গল্পটা যেন কষ্টে ভরা। অভিযোগ উঠেছে, বাবা-মায়ের পারিবারিক ঝগড়ার এক পর্যায়ে শিশুটিকে একটি অনাথ আশ্রমের সামনে রেখে চলে যান তারা। এরপর আর কখনো খোঁজ নিতে আসেননি।
আশ্রমের কর্মচারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একদিন শিশুটির বাবা-মা সেখানে এসে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মেয়েটিকে আশ্রমের সামনে রেখে চলে যান। এমনকি আশ্রম কর্তৃপক্ষের কাছেও আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুটিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এরপর থেকে আশ্রমের কর্মীরাই অন্য শিশুদের মতো তাকে আদর-যত্নে বড় করার চেষ্টা করছেন। তবে শিশুটি নাকি আগের মতো নেই—চুপচাপ থাকে, ঠিকমতো কথা বলে না, খেতেও অনীহা। আশ্রমের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় প্রায়ই গিয়ে শুয়ে থাকে, যেখানে তাকে রেখে যাওয়া হয়েছিল। কর্মচারীদের ধারণা, হয়তো এখনো সে বাবা-মায়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকে।
শিশুটিকে চিকিৎসকের কাছেও নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শারীরিক কোনো জটিলতা পাওয়া না গেলেও, চিকিৎসকদের ধারণা—বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ও ছেড়ে চলে যাওয়ার মানসিক আঘাতের কারণেই এমন আচরণ করছে শিশুটি।
এমন ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে—বাবা-মায়ের দ্বন্দ্বের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী কি তবে নিষ্পাপ শিশুরাই? অনেকেই বলছেন, সম্পর্কের টানাপোড়েনের দায় কখনোই সন্তানের ওপর চাপানো উচিত নয়। কারণ একটি ভুল সিদ্ধান্ত একটি শিশুর পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন