লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নে একটি হেফজখানা ও ধর্মীয় শিক্ষা কমপ্লেক্স নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকপক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, চর আলগী ইউনিয়নের রবরোড় এলাকার মালেক কোম্পানি মসজিদ সংলগ্ন ৬৩ শতক জমি ক্রয় করেন এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী জামাল উদ্দীন। ওই জমিতে একটি হেফজখানা ও ধর্মীয় শিক্ষা কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বুধবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে জমিতে বালু ভরাট শুরু করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নির্মাণকাজে বাধা দেন এবং হামলা চালান। হামলায় জমির মালিক হাজী জামাল উদ্দীনের ছেলে সুমনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য কয়েকজন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমির মালিকপক্ষের দাবি, একাধিক সালিশ ও স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির পরও কিছু ব্যক্তি জমি দখল করে রেখেছেন এবং নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে আসছেন।
এ বিষয়ে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নে একটি হেফজখানা ও ধর্মীয় শিক্ষা কমপ্লেক্স নির্মাণকাজকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকপক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
জানা গেছে, চর আলগী ইউনিয়নের রবরোড় এলাকার মালেক কোম্পানি মসজিদ সংলগ্ন ৬৩ শতক জমি ক্রয় করেন এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী জামাল উদ্দীন। ওই জমিতে একটি হেফজখানা ও ধর্মীয় শিক্ষা কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বুধবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে নির্মাণকাজের অংশ হিসেবে জমিতে বালু ভরাট শুরু করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নির্মাণকাজে বাধা দেন এবং হামলা চালান। হামলায় জমির মালিক হাজী জামাল উদ্দীনের ছেলে সুমনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য কয়েকজন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমির মালিকপক্ষের দাবি, একাধিক সালিশ ও স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির পরও কিছু ব্যক্তি জমি দখল করে রেখেছেন এবং নির্মাণকাজে বাধা দিয়ে আসছেন।
এ বিষয়ে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন