রাজধানীতে পহেলা বৈশাখের আবহে এবার ভিন্ন এক আয়োজন নিয়ে রাস্তায় নামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির উদ্যোগে ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত বৈশাখী শোভাযাত্রা সকাল থেকেই নগরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।
শোভাযাত্রাটি শুরু হয় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণের সামনে থেকে এবং শেষ হয় রমনা পার্ক এলাকায় গিয়ে। এতে অংশ নেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, ফলে আয়োজনটি একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় রূপ নেয়।
অংশগ্রহণকারীরা গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল, কুলাসহ নানা লোকজ উপকরণ বহন করেন। পুরো শোভাযাত্রা জুড়ে ছিল দেশাত্মবোধক গান, জারি, সারি ও ভাটিয়ালির পরিবেশনা—যা নগরবাসীর মাঝে এক ধরনের নস্টালজিক ও উৎসবমুখর অনুভূতি তৈরি করে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে এ আয়োজনটি অনেকের কাছে বাংলা সংস্কৃতির বহুমাত্রিক প্রকাশ হিসেবে ধরা দেয়, যেখানে ঐতিহ্য, সংগীত ও জনসম্পৃক্ততার মিশেলে পহেলা বৈশাখের চিরচেনা চিত্রই নতুনভাবে ফুটে ওঠে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে পহেলা বৈশাখের আবহে এবার ভিন্ন এক আয়োজন নিয়ে রাস্তায় নামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির উদ্যোগে ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত বৈশাখী শোভাযাত্রা সকাল থেকেই নগরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।
শোভাযাত্রাটি শুরু হয় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণের সামনে থেকে এবং শেষ হয় রমনা পার্ক এলাকায় গিয়ে। এতে অংশ নেন দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও রাজধানীর নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, ফলে আয়োজনটি একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় রূপ নেয়।
অংশগ্রহণকারীরা গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে পলো, ঢেঁকি, খেওয়া জাল, কুলাসহ নানা লোকজ উপকরণ বহন করেন। পুরো শোভাযাত্রা জুড়ে ছিল দেশাত্মবোধক গান, জারি, সারি ও ভাটিয়ালির পরিবেশনা—যা নগরবাসীর মাঝে এক ধরনের নস্টালজিক ও উৎসবমুখর অনুভূতি তৈরি করে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে এ আয়োজনটি অনেকের কাছে বাংলা সংস্কৃতির বহুমাত্রিক প্রকাশ হিসেবে ধরা দেয়, যেখানে ঐতিহ্য, সংগীত ও জনসম্পৃক্ততার মিশেলে পহেলা বৈশাখের চিরচেনা চিত্রই নতুনভাবে ফুটে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন