যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও নৌ নজরদারি উপেক্ষা করে আবারও আলোচনায় এসেছে Strait of Hormuz। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Bloomberg-এর বরাতে জানা গেছে, চীনা মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকার নির্বিঘ্নে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ অতিক্রম করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
‘রিচ স্টারি’ নামের ট্যাংকারটি, যা আগে ‘ফুল স্টার’ নামে পরিচিত ছিল, গত মঙ্গলবার প্রণালিটি পার হয়। শিপিং ডাটা অনুযায়ী, জাহাজটি পরিচালনা করছে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান, যা ইতোমধ্যে United States-এর নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। ২০২৩ সালে Iran-কে জ্বালানি রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে এই কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।
জাহাজটির মালিকানা রয়েছে সাংহাইভিত্তিক একটি শিপিং কোম্পানির হাতে এবং এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়া বন্দর থেকে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল মিথানল বহন করছিল। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়তি নজর কাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এ ধরনের চলাচল প্রমাণ করে যে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে এখনও বিকল্প পথ ও কৌশল সক্রিয় রয়েছে। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে Strait of Hormuz ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ এই প্রণালিটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হিসেবে বিবেচিত।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও নৌ নজরদারি উপেক্ষা করে আবারও আলোচনায় এসেছে Strait of Hormuz। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Bloomberg-এর বরাতে জানা গেছে, চীনা মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকার নির্বিঘ্নে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ অতিক্রম করেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
‘রিচ স্টারি’ নামের ট্যাংকারটি, যা আগে ‘ফুল স্টার’ নামে পরিচিত ছিল, গত মঙ্গলবার প্রণালিটি পার হয়। শিপিং ডাটা অনুযায়ী, জাহাজটি পরিচালনা করছে চীনের একটি প্রতিষ্ঠান, যা ইতোমধ্যে United States-এর নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে। ২০২৩ সালে Iran-কে জ্বালানি রপ্তানিতে সহায়তার অভিযোগে এই কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।
জাহাজটির মালিকানা রয়েছে সাংহাইভিত্তিক একটি শিপিং কোম্পানির হাতে এবং এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়া বন্দর থেকে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল মিথানল বহন করছিল। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এমন ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়তি নজর কাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এ ধরনের চলাচল প্রমাণ করে যে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যে এখনও বিকল্প পথ ও কৌশল সক্রিয় রয়েছে। একই সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে Strait of Hormuz ঘিরে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ এই প্রণালিটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হিসেবে বিবেচিত।

আপনার মতামত লিখুন