বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিয়ে আবারও তীব্র সমালোচনা করেছেন শিশির মনির। তার অভিযোগ, ব্যাংক খাতের যেসব ব্যক্তি অতীতে লুটপাট ও আমানতকারীদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, তাদের হাতেই আবার নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে—যা পুরো ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সংশোধিত ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশে এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া বা আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারের সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে। তার মতে, এই আইনি পরিবর্তন মূলত অপরাধীদের দায়মুক্তির পথ সহজ করছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর এই নেতা আরও দাবি করেন, এতে করে সাধারণ আমানতকারীদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং ব্যাংকিং খাতে আস্থা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, একটি সুস্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে উল্টোভাবে দায়ীদেরই পুনর্বাসন করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
এই অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের আর্থিক খাত নিয়ে আবারও তীব্র সমালোচনা করেছেন শিশির মনির। তার অভিযোগ, ব্যাংক খাতের যেসব ব্যক্তি অতীতে লুটপাট ও আমানতকারীদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, তাদের হাতেই আবার নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে—যা পুরো ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সংশোধিত ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশে এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া বা আত্মসাৎ করা অর্থ পুনরুদ্ধারের সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে। তার মতে, এই আইনি পরিবর্তন মূলত অপরাধীদের দায়মুক্তির পথ সহজ করছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর এই নেতা আরও দাবি করেন, এতে করে সাধারণ আমানতকারীদের স্বার্থ মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং ব্যাংকিং খাতে আস্থা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, একটি সুস্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে উল্টোভাবে দায়ীদেরই পুনর্বাসন করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
এই অভিযোগের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন