হরমুজ খুলতে ইরানকে নতুন ডেডলাইন দিলেন ট্রাম্প, না মানলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি
গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য ইরানকে নতুন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবরোধ না তুলে নিলে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “মঙ্গলবার, রাত ৮টা পূর্বাঞ্চলীয় সময়!”—এর বেশি কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি। তবে পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম The Wall Street Journal-কে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরান যদি এগিয়ে না আসে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধই রাখে, তাহলে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আর টিকবে না। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস করা হতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল পরিবহনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি দামে। ট্রাম্পের নতুন ডেডলাইন পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে, কারণ এতে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত রয়েছে। অন্যদিকে ইরান এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে কূটনৈতিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানকে নতুন ডেডলাইন দিলেন ট্রাম্প, না মানলে বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি
গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য ইরানকে নতুন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবরোধ না তুলে নিলে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “মঙ্গলবার, রাত ৮টা পূর্বাঞ্চলীয় সময়!”—এর বেশি কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি। তবে পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যম The Wall Street Journal-কে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ইরান যদি এগিয়ে না আসে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধই রাখে, তাহলে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আর টিকবে না। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস করা হতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল পরিবহনে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে, যার প্রভাব পড়বে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি দামে। ট্রাম্পের নতুন ডেডলাইন পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে, কারণ এতে সরাসরি সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত রয়েছে। অন্যদিকে ইরান এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, তবে কূটনৈতিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন