ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

১৮ বছরের আগে কোনো মেয়ের বিয়ে হলে আমরা সেটিকে বাল্যবিবাহ বলি এবং মেয়েটিকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করি। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও আইনি অবস্থান।

যার মধ্যে শারীরিক চাহিদা জেগে ওঠে, তাকে আর শিশু বলা যায় না

যার মধ্যে শারীরিক চাহিদা জেগে ওঠে, তাকে আর শিশু বলা যায় না

১৮ বছরের আগে কোনো মেয়ের বিয়ে হলে আমরা সেটিকে বাল্যবিবাহ বলি এবং মেয়েটিকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করি। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও আইনি অবস্থান। তবে একই সমাজে আরেকটি বাস্তবতাও চোখে পড়ে—১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী অনেক কিশোরী প্রেমে জড়িয়ে পড়ছে, এমনকি কখনো কখনো শারীরিক সম্পর্কেও জড়াচ্ছে। যদি এই বয়সে তারা আবেগ, সম্পর্ক কিংবা শারীরিক আকর্ষণ বোঝার মতো পরিপক্বতা অর্জন করে থাকে, তাহলে কেবল বিয়ের ক্ষেত্রে তাদের ‘শিশু’ হিসেবে দেখার যুক্তি কতটা সঙ্গত? আবার, ১৮ বছরের আগে বৈধ বিয়েকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হলেও, একই বয়সে ঘটে যাওয়া অবৈধ বা অনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমাজের তেমন দৃঢ় অবস্থান সবসময় দেখা যায় না—যা অনেকের কাছে দ্বৈত মানদণ্ড হিসেবে প্রতীয়মান হয়। 

তাদের মতে, জীবনচয়নের প্রশ্নে ব্যক্তির মতামত ও সম্মতির মূল্য থাকা উচিত। কেউ পড়াশোনাকে অগ্রাধিকার দেবে, কেউ বিয়ে করতে চাইবে—এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হওয়াই কি স্বাভাবিক নয়?

এই বিতর্কের কোনো সহজ উত্তর নেই, তবে প্রশ্নগুলো সমাজকে ভাবতে বাধ্য করছে—আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কি সব ক্ষেত্রে সমানভাবে ন্যায়সংগত?

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

রোববার, ১২ এপ্রিল ২০২৬


যার মধ্যে শারীরিক চাহিদা জেগে ওঠে, তাকে আর শিশু বলা যায় না

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

১৮ বছরের আগে কোনো মেয়ের বিয়ে হলে আমরা সেটিকে বাল্যবিবাহ বলি এবং মেয়েটিকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করি। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সামাজিক ও আইনি অবস্থান। তবে একই সমাজে আরেকটি বাস্তবতাও চোখে পড়ে—১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী অনেক কিশোরী প্রেমে জড়িয়ে পড়ছে, এমনকি কখনো কখনো শারীরিক সম্পর্কেও জড়াচ্ছে। যদি এই বয়সে তারা আবেগ, সম্পর্ক কিংবা শারীরিক আকর্ষণ বোঝার মতো পরিপক্বতা অর্জন করে থাকে, তাহলে কেবল বিয়ের ক্ষেত্রে তাদের ‘শিশু’ হিসেবে দেখার যুক্তি কতটা সঙ্গত? আবার, ১৮ বছরের আগে বৈধ বিয়েকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হলেও, একই বয়সে ঘটে যাওয়া অবৈধ বা অনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমাজের তেমন দৃঢ় অবস্থান সবসময় দেখা যায় না—যা অনেকের কাছে দ্বৈত মানদণ্ড হিসেবে প্রতীয়মান হয়। 

তাদের মতে, জীবনচয়নের প্রশ্নে ব্যক্তির মতামত ও সম্মতির মূল্য থাকা উচিত। কেউ পড়াশোনাকে অগ্রাধিকার দেবে, কেউ বিয়ে করতে চাইবে—এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হওয়াই কি স্বাভাবিক নয়?

এই বিতর্কের কোনো সহজ উত্তর নেই, তবে প্রশ্নগুলো সমাজকে ভাবতে বাধ্য করছে—আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কি সব ক্ষেত্রে সমানভাবে ন্যায়সংগত?


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল