মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার খবর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে চারটার দিকে জানায়, কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের Al Udeid Air Base-এ ইরান ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়, দোহার দিকে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়। অপর একটি মিসাইল আল-উদেইদ ঘাঁটিতে আঘাত হানে। তবে কাতারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আল-উদেইদ ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ভবনেও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। বার্তা সংস্থা Reuters প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ঘটনার পর ভবনসংলগ্ন এলাকায় ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও যাচাই করেছে বলে দাবি করেছে আল জাজিরা, যেখানে ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুবাইয়ের ওই ঘটনায়ও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাগুলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। বিশেষ করে কাতারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্র দেশে সরাসরি আঘাত পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলার খবর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে চারটার দিকে জানায়, কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের Al Udeid Air Base-এ ইরান ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়, দোহার দিকে দুটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়। অপর একটি মিসাইল আল-উদেইদ ঘাঁটিতে আঘাত হানে। তবে কাতারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আল-উদেইদ ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেখানে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ভবনেও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। বার্তা সংস্থা Reuters প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ঘটনার পর ভবনসংলগ্ন এলাকায় ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও যাচাই করেছে বলে দাবি করেছে আল জাজিরা, যেখানে ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকা থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুবাইয়ের ওই ঘটনায়ও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাগুলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। বিশেষ করে কাতারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত মিত্র দেশে সরাসরি আঘাত পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

আপনার মতামত লিখুন