ইরানে টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের অধিকাংশ এলাকায় অনলাইন যোগাযোগ প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার (২ মার্চ) এ তথ্য প্রকাশ করে লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Iran International।
বৈশ্বিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা NetBlocks জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত ইরানের ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ডেটা ট্রাফিক উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে, যা একটি দেশব্যাপী ব্ল্যাকআউটের ইঙ্গিত দেয়।
এই পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ, ই-মেইল এবং অনলাইন ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। দেশের বাইরে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করাও অনেকের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, গণমাধ্যম কার্যক্রম এবং দৈনন্দিন অনলাইন লেনদেনেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান সামরিক উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ব্ল্যাকআউট আরোপ করা হয়ে থাকতে পারে। অতীতে বিক্ষোভ বা নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির সময়ও ইরানে ইন্টারনেট সীমিত বা বন্ধ রাখার নজির রয়েছে।
সরকারিভাবে ব্ল্যাকআউটের কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তা অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথ্যপ্রবাহে আরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইরানে টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। দেশের অধিকাংশ এলাকায় অনলাইন যোগাযোগ প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার (২ মার্চ) এ তথ্য প্রকাশ করে লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Iran International।
বৈশ্বিক ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা NetBlocks জানিয়েছে, সোমবার পর্যন্ত ইরানের ইন্টারনেট সংযোগ প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ডেটা ট্রাফিক উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে, যা একটি দেশব্যাপী ব্ল্যাকআউটের ইঙ্গিত দেয়।
এই পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ, ই-মেইল এবং অনলাইন ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। দেশের বাইরে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করাও অনেকের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, গণমাধ্যম কার্যক্রম এবং দৈনন্দিন অনলাইন লেনদেনেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান সামরিক উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ব্ল্যাকআউট আরোপ করা হয়ে থাকতে পারে। অতীতে বিক্ষোভ বা নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতির সময়ও ইরানে ইন্টারনেট সীমিত বা বন্ধ রাখার নজির রয়েছে।
সরকারিভাবে ব্ল্যাকআউটের কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তা অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তথ্যপ্রবাহে আরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন