আজ সকাল ১০টায় নতুন এমপিদের শপথ, পড়াবেন সিইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে আজ। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় শপথ গ্রহণ করবেন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে।
সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালনের অধিকার পান। শপথ ছাড়া কোনো সদস্য সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন না। তাই নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরুর আগে এ অনুষ্ঠান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সাধারণত শপথ অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকেন। শপথের পরই সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরবর্তী ধাপে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, সংসদ অধিবেশন আহ্বানসহ অন্যান্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়।
নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনা। বিভিন্ন দল ও জোটের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকার ও বিরোধী দলীয় কাঠামো।
আজকের শপথ অনুষ্ঠান সেই নতুন অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন নজর থাকবে— কে হচ্ছেন স্পিকার, কবে বসছে প্রথম অধিবেশন এবং কীভাবে গঠিত হচ্ছে

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ সকাল ১০টায় নতুন এমপিদের শপথ, পড়াবেন সিইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হচ্ছে আজ। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় শপথ গ্রহণ করবেন। তাদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে।
সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ
সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়েই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালনের অধিকার পান। শপথ ছাড়া কোনো সদস্য সংসদীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন না। তাই নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরুর আগে এ অনুষ্ঠান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
সাধারণত শপথ অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকেন। শপথের পরই সংসদ সদস্যরা তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরবর্তী ধাপে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, সংসদ অধিবেশন আহ্বানসহ অন্যান্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়।
নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সূচনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ছিল ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনা। বিভিন্ন দল ও জোটের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে গঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকার ও বিরোধী দলীয় কাঠামো।
আজকের শপথ অনুষ্ঠান সেই নতুন অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এখন নজর থাকবে— কে হচ্ছেন স্পিকার, কবে বসছে প্রথম অধিবেশন এবং কীভাবে গঠিত হচ্ছে

আপনার মতামত লিখুন