ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ডা. শফিকুর রহমান। নিজ নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট, দেয়াল ও বিভিন্ন স্থানে টানানো ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন নিজ হাতে খুলে ফেলতে দেখা গেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর এই শীর্ষ নেতাকে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই প্রার্থীদের ব্যানার-ফেস্টুন, পোস্টার ও লিফলেটের ছড়াছড়ি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্বাচন শেষ হলেও অনেক জায়গায় সেসব প্রচারসামগ্রী ঝুলে থাকতে দেখা যায়, যা পরিবেশ ও নগর সৌন্দর্যের জন্য বিব্রতকর হয়ে দাঁড়ায়।
এমন প্রেক্ষাপটে ডা. শফিকুর রহমানের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সড়কের পাশে ও দেয়ালে টানানো ব্যানার খুলছেন। দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রার্থীদের নিজ উদ্যোগে প্রচারসামগ্রী অপসারণ করা একটি দায়িত্বশীল আচরণ। এতে নাগরিক সচেতনতার বার্তা যেমন যায়, তেমনি রাজনীতিতে ইতিবাচক সংস্কৃতিরও ইঙ্গিত মেলে।
নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেও এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে শহর ও গ্রাম আরও দ্রুত স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ফিরতে পারবে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে ব্যতিক্রমী এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ডা. শফিকুর রহমান। নিজ নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট, দেয়াল ও বিভিন্ন স্থানে টানানো ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন নিজ হাতে খুলে ফেলতে দেখা গেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর এই শীর্ষ নেতাকে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই প্রার্থীদের ব্যানার-ফেস্টুন, পোস্টার ও লিফলেটের ছড়াছড়ি ছিল চোখে পড়ার মতো। নির্বাচন শেষ হলেও অনেক জায়গায় সেসব প্রচারসামগ্রী ঝুলে থাকতে দেখা যায়, যা পরিবেশ ও নগর সৌন্দর্যের জন্য বিব্রতকর হয়ে দাঁড়ায়।
এমন প্রেক্ষাপটে ডা. শফিকুর রহমানের এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সড়কের পাশে ও দেয়ালে টানানো ব্যানার খুলছেন। দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রার্থীদের নিজ উদ্যোগে প্রচারসামগ্রী অপসারণ করা একটি দায়িত্বশীল আচরণ। এতে নাগরিক সচেতনতার বার্তা যেমন যায়, তেমনি রাজনীতিতে ইতিবাচক সংস্কৃতিরও ইঙ্গিত মেলে।
নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেও এমন উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, ভবিষ্যতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরাও এ ধরনের পদক্ষেপ নিলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে শহর ও গ্রাম আরও দ্রুত স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ফিরতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন