নেকাবধারী নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে মুখ দেখাতে হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে হলে পরিচয় যাচাইয়ের স্বার্থে নেকাবধারী নারী ভোটারদের অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে মুখ দেখাতে হবে। ভুয়া ভোটার ঠেকাতে এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভোটের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ভোটার শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে কঠোর করা হয়েছে। বিশেষ করে নেকাব বা মুখাবরণ পরিহিত নারী ভোটারদের ক্ষেত্রে পরিচয় নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নারী ভোটারদের ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদার প্রতি সম্মান রেখেই পরিচয় যাচাই করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য মহিলা পোলিং অফিসার ও নারী আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা বলেন, নারী ভোটারদের পুরুষদের সামনে মুখ দেখাতে বাধ্য করা হবে না। নির্দিষ্ট স্থানে নারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করা হবে, যাতে ভোটাররা স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ভুয়া ভোট ও পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়ম রোধ করতেই এবারের নির্বাচনে পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
ইসি আরও জানায়, জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও উপস্থিত ভোটারের মুখ মিলিয়ে দেখা হবে। কোনো ধরনের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন নারী ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভোটের অধিকার প্রয়োগের স্বার্থে সাময়িকভাবে পরিচয় যাচাইয়ে সহযোগিতা করা নাগরিক দায়িত্ব। এতে করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নেকাবধারী নারী ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে মুখ দেখাতে হবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করতে হলে পরিচয় যাচাইয়ের স্বার্থে নেকাবধারী নারী ভোটারদের অবশ্যই ভোটকেন্দ্রে মুখ দেখাতে হবে। ভুয়া ভোটার ঠেকাতে এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ভোটের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ভোটার শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে কঠোর করা হয়েছে। বিশেষ করে নেকাব বা মুখাবরণ পরিহিত নারী ভোটারদের ক্ষেত্রে পরিচয় নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নারী ভোটারদের ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদার প্রতি সম্মান রেখেই পরিচয় যাচাই করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য মহিলা পোলিং অফিসার ও নারী আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা বলেন, নারী ভোটারদের পুরুষদের সামনে মুখ দেখাতে বাধ্য করা হবে না। নির্দিষ্ট স্থানে নারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমেই পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করা হবে, যাতে ভোটাররা স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার সঙ্গে ভোট দিতে পারেন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ভুয়া ভোট ও পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়ম রোধ করতেই এবারের নির্বাচনে পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
ইসি আরও জানায়, জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও উপস্থিত ভোটারের মুখ মিলিয়ে দেখা হবে। কোনো ধরনের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন নারী ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভোটের অধিকার প্রয়োগের স্বার্থে সাময়িকভাবে পরিচয় যাচাইয়ে সহযোগিতা করা নাগরিক দায়িত্ব। এতে করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন