আনিসুল হক ও তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা
ঢাকা: সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার ভাটারা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটি করা হয়েছে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এর ৪(২) ধারায়।
মামলার আসামিরা
মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন—
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
তৌফিকা করিম
মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন
মো. কামরুজ্জামান
সিআইডির অভিযোগে বলা হয়েছে—
আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে চাঁদাবাজি ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ২৫ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে বলে তদন্তে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব অর্থ ব্যাংক হিসাব ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুরিয়ে মানিলন্ডারিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
তদন্তে পাওয়া তথ্য
সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে—
একাধিক ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অবৈধ অর্থ লেনদেন করা হয়েছে।
কিছু অর্থ আইনি সেবার পারিশ্রমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খরচের নামে স্থানান্তর করা হলেও প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল অর্থ আড়াল করা।
একটি এনজিও ও ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবহার করে অর্থ গ্রহণ ও স্থানান্তরের তথ্যও তদন্তে এসেছে।
সিআইডি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৬টির বেশি ব্যাংক হিসাব শনাক্ত করা হয়েছে, যেখানে সন্দেহজনক লেনদেনের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা।
আইনি অবস্থান
সিআইডির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—
মামলাটি এখনো তদন্তাধীন
প্রয়োজন অনুযায়ী আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, হিসাব জব্দ ও অন্যান্য আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে
তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
আনিসুল হক ও তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা
ঢাকা: সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকার ভাটারা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটি করা হয়েছে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এর ৪(২) ধারায়।
মামলার আসামিরা
মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন—
সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
তৌফিকা করিম
মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন
মো. কামরুজ্জামান
সিআইডির অভিযোগে বলা হয়েছে—
আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে চাঁদাবাজি ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করেছেন।
দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ২৫ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে বলে তদন্তে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব অর্থ ব্যাংক হিসাব ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুরিয়ে মানিলন্ডারিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
তদন্তে পাওয়া তথ্য
সিআইডির তদন্তে উঠে এসেছে—
একাধিক ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অবৈধ অর্থ লেনদেন করা হয়েছে।
কিছু অর্থ আইনি সেবার পারিশ্রমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক খরচের নামে স্থানান্তর করা হলেও প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল অর্থ আড়াল করা।
একটি এনজিও ও ব্যক্তিগত হিসাব ব্যবহার করে অর্থ গ্রহণ ও স্থানান্তরের তথ্যও তদন্তে এসেছে।
সিআইডি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৬টির বেশি ব্যাংক হিসাব শনাক্ত করা হয়েছে, যেখানে সন্দেহজনক লেনদেনের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা।
আইনি অবস্থান
সিআইডির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে—
মামলাটি এখনো তদন্তাধীন
প্রয়োজন অনুযায়ী আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, হিসাব জব্দ ও অন্যান্য আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে
তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে

আপনার মতামত লিখুন