ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুই দিন পর ঝোপে মিলল ৭ বছরের মিমের মরদেহ

মায়ের জন্য মাংস নিয়ে নানা বাড়ি থেকে ফিরছিল মিম, ২ দিন পর মিলল নিথর দে'হ!

মায়ের জন্য মাংস নিয়ে নানা বাড়ি থেকে ফিরছিল মিম, ২ দিন পর মিলল নিথর দে'হ!

১০ মিনিটের পথ, দুই দিন পর ঝোপে মিলল ৭ বছরের মিমের মরদেহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নানা বাড়ি থেকে মায়ের জন্য গরুর মাংস নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয় ৭ বছরের শিশু মিম আক্তার। দুই দিন পর বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মিম নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী ছিল।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মিম নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে তার মা ফোন করে মাংস নিয়ে আসতে বলেন। মায়ের কথা অনুযায়ী, গরুর মাংসের একটি পোটলা নিয়ে নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় মিম। নানা বাড়ি থেকে তাদের বাড়ির দূরত্ব ছিল মাত্র প্রায় ১০ মিনিটের হাঁটার পথ।

কিন্তু এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি শিশুটি। মিম নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে মাইকিং, মসজিদে ঘোষণা এবং থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরাও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন।

অবশেষে ২১ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির পাশের বিদ্যাকুট বড়বাড়ির পুকুরপাড়ের ঝোপঝাড় থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে মিমের মরদেহ দেখতে পান।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের পর শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাত্র ১০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে গিয়ে কীভাবে নিখোঁজ হলো মিম? দুই দিন পর বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে কীভাবে তার মরদেহ পাওয়া গেল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্তেই বেরিয়ে আসার অপেক্ষা।

মিমের পরিবারের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসুক।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মায়ের জন্য মাংস নিয়ে নানা বাড়ি থেকে ফিরছিল মিম, ২ দিন পর মিলল নিথর দে'হ!

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

১০ মিনিটের পথ, দুই দিন পর ঝোপে মিলল ৭ বছরের মিমের মরদেহ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে নানা বাড়ি থেকে মায়ের জন্য গরুর মাংস নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয় ৭ বছরের শিশু মিম আক্তার। দুই দিন পর বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত মিম নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি নূরানী মাদ্রাসার ছাত্রী ছিল।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মিম নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে তার মা ফোন করে মাংস নিয়ে আসতে বলেন। মায়ের কথা অনুযায়ী, গরুর মাংসের একটি পোটলা নিয়ে নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় মিম। নানা বাড়ি থেকে তাদের বাড়ির দূরত্ব ছিল মাত্র প্রায় ১০ মিনিটের হাঁটার পথ।

কিন্তু এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি শিশুটি। মিম নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে মাইকিং, মসজিদে ঘোষণা এবং থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরাও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন।

অবশেষে ২১ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ির পাশের বিদ্যাকুট বড়বাড়ির পুকুরপাড়ের ঝোপঝাড় থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে মিমের মরদেহ দেখতে পান।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ময়নাতদন্তের পর শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

মাত্র ১০ মিনিটের পথ পাড়ি দিতে গিয়ে কীভাবে নিখোঁজ হলো মিম? দুই দিন পর বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে কীভাবে তার মরদেহ পাওয়া গেল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখন তদন্তেই বেরিয়ে আসার অপেক্ষা।

মিমের পরিবারের দাবি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসুক।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল