মানবতাবিরোধী অপরাধে জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আর্জি প্রসিকিউশনের
ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়–এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আর্জি দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা আবেদনে তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিকল্পিত দমন-পীড়ন ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আবেদনে বলা হয়, একটি নির্দিষ্ট সময়কালে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচি দমন, বেআইনি গ্রেপ্তার, গুম, নির্যাতন এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন অভিযুক্তরা। এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য নির্বিচারে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, যার পরিণতিতে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। প্রসিকিউশন দাবি করে, তদন্তে সংগৃহীত নথি, সাক্ষ্য ও ডিজিটাল প্রমাণ অভিযোগ গঠনের জন্য প্রাথমিকভাবে যথেষ্ট।
এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রসিকিউশনের আর্জি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্ধারিত তারিখে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আইনজীবীরা বলছেন, অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল প্রাথমিক প্রমাণ যাচাই করে দেখবে অভিযোগগুলো বিচারযোগ্য কি না।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠন হলে পূর্ণাঙ্গ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই মামলার অগ্রগতি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধে জয় ও পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আর্জি প্রসিকিউশনের
ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়–এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আর্জি দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা আবেদনে তাঁদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিকল্পিত দমন-পীড়ন ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের আবেদনে বলা হয়, একটি নির্দিষ্ট সময়কালে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচি দমন, বেআইনি গ্রেপ্তার, গুম, নির্যাতন এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন অভিযুক্তরা। এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তদের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সদস্য নির্বিচারে ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, যার পরিণতিতে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হন। প্রসিকিউশন দাবি করে, তদন্তে সংগৃহীত নথি, সাক্ষ্য ও ডিজিটাল প্রমাণ অভিযোগ গঠনের জন্য প্রাথমিকভাবে যথেষ্ট।
এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রসিকিউশনের আর্জি গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্ধারিত তারিখে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। আইনজীবীরা বলছেন, অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে ট্রাইব্যুনাল প্রাথমিক প্রমাণ যাচাই করে দেখবে অভিযোগগুলো বিচারযোগ্য কি না।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠন হলে পূর্ণাঙ্গ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই মামলার অগ্রগতি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন