সারজিস আলমের নির্বাচনি হলফনামায় “গরমিল” দাবি অনিন্দ্য — তিনি বললেন টাইপিং মিসটেক
পঞ্চগড়-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলের জোটের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম আজ বলেছেন, তার নির্বাচনী হলফনামায় কোনো তথ্য গরমিল ছিল না, এবং যেসব ভুল দেখা গেছে তা অনিচ্ছাকৃত একটি টাইপিং ভুল ছিল। তিনি এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া প্রচারের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সারজিস আলম বলেন, মনোনয়নপত্র ও হলফনামা যাচাইয়ের পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সব তথ্যকে বৈধ ও যথাযথ ঘোষণা করেছেন। তাকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাখ্যান বা বাতিল করার কোনো নোটিশও দেওয়া হয়নি। তিনি পুনরায় দাবি করেন যে, ভুলটি ছিল আইনজীবীর টাইপিং ভুলও অনিচ্ছাকৃত ছিল।
প্রচারিত ভুলের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত ছিল আয়কর রিটার্নে তার আয় ২৮ লাখ টাকা দেখানো এবং হলফনামায় ৯ লাখ টাকা হিসেবে প্রদর্শিত হওয়া। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়ানো হয়েছিল। সারজিস আলম বলেন, এই ভুল একটি টাইপিং মিসটেক, এবং এটি ভুলভাবে রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহার করা হচ্ছে।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার আয় বছরে ৯ লাখ টাকা এবং সম্পদের মোট পরিমাণ আনুমানিক ৩৪ লাখ টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে, যা তিনি সবাইকে দেখিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, কোনো তথ্য গোপন করেননি এবং সঠিকভাবে তথ্য দিয়েছেন।
সারজিস অভিযোগ করেন, ভুল ধারণা বা গুজব ছড়ানো হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া ও কিছু গণমাধ্যমে, যা বাস্তব তথ্যের সঙ্গে মিল নেই। তিনি এই গুজব রোধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
সারজিস আলমের নির্বাচনি হলফনামায় “গরমিল” দাবি অনিন্দ্য — তিনি বললেন টাইপিং মিসটেক
পঞ্চগড়-১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলের জোটের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম আজ বলেছেন, তার নির্বাচনী হলফনামায় কোনো তথ্য গরমিল ছিল না, এবং যেসব ভুল দেখা গেছে তা অনিচ্ছাকৃত একটি টাইপিং ভুল ছিল। তিনি এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুয়া প্রচারের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সারজিস আলম বলেন, মনোনয়নপত্র ও হলফনামা যাচাইয়ের পর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সব তথ্যকে বৈধ ও যথাযথ ঘোষণা করেছেন। তাকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাখ্যান বা বাতিল করার কোনো নোটিশও দেওয়া হয়নি। তিনি পুনরায় দাবি করেন যে, ভুলটি ছিল আইনজীবীর টাইপিং ভুলও অনিচ্ছাকৃত ছিল।
প্রচারিত ভুলের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত ছিল আয়কর রিটার্নে তার আয় ২৮ লাখ টাকা দেখানো এবং হলফনামায় ৯ লাখ টাকা হিসেবে প্রদর্শিত হওয়া। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়ানো হয়েছিল। সারজিস আলম বলেন, এই ভুল একটি টাইপিং মিসটেক, এবং এটি ভুলভাবে রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহার করা হচ্ছে।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তার আয় বছরে ৯ লাখ টাকা এবং সম্পদের মোট পরিমাণ আনুমানিক ৩৪ লাখ টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে, যা তিনি সবাইকে দেখিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, কোনো তথ্য গোপন করেননি এবং সঠিকভাবে তথ্য দিয়েছেন।
সারজিস অভিযোগ করেন, ভুল ধারণা বা গুজব ছড়ানো হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া ও কিছু গণমাধ্যমে, যা বাস্তব তথ্যের সঙ্গে মিল নেই। তিনি এই গুজব রোধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন