কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ মন লবণসহ নৌকা ডুবি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৭ শ্রমিক
ভোলার মেঘনা নদীতে একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ মন লবণবোঝাই একটি নৌকা ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় নৌকার মাঝিসহ সাতজন শ্রমিক প্রাণে বেঁচে গেছেন।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে, ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর একটি নৌপথে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নৌকাটি নদীপথে লবণ পরিবহন করছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি কার্গো জাহাজ এসে নৌকাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কা লাগার সঙ্গে সঙ্গে নৌকাটি ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকায় থাকা প্রায় ৩০০ মন লবণ সম্পূর্ণভাবে পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন নৌকার মালিক।
তবে দুর্ঘটনার সময় নৌকার মাঝি ও সাতজন শ্রমিক দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় তারা সবাই নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা নদীপথে নৌযান চলাচলে আরও সতর্কতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, নিয়ম না মেনে দ্রুতগতিতে চলাচল করা বড় জাহাজের কারণেই প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নৌ পুলিশ ও নৌ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কার্গো জাহাজটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নদীপথে পণ্য পরিবহনে নিরাপত্তা জোরদার করা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ মন লবণসহ নৌকা ডুবি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৭ শ্রমিক
ভোলার মেঘনা নদীতে একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ৩০০ মন লবণবোঝাই একটি নৌকা ডুবে গেছে। তবে এ ঘটনায় নৌকার মাঝিসহ সাতজন শ্রমিক প্রাণে বেঁচে গেছেন।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে, ভোলা সদর উপজেলার মেঘনা নদীর একটি নৌপথে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নৌকাটি নদীপথে লবণ পরিবহন করছিল। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতির একটি কার্গো জাহাজ এসে নৌকাটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
ধাক্কা লাগার সঙ্গে সঙ্গে নৌকাটি ভারসাম্য হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকায় থাকা প্রায় ৩০০ মন লবণ সম্পূর্ণভাবে পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন নৌকার মালিক।
তবে দুর্ঘটনার সময় নৌকার মাঝি ও সাতজন শ্রমিক দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় তারা সবাই নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, যা স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা নদীপথে নৌযান চলাচলে আরও সতর্কতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, নিয়ম না মেনে দ্রুতগতিতে চলাচল করা বড় জাহাজের কারণেই প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নৌ পুলিশ ও নৌ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কার্গো জাহাজটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নদীপথে পণ্য পরিবহনে নিরাপত্তা জোরদার করা না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন