ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছাত্রদলের পর এবার সংশপ্তক পর্ষদের ভোট বর্জন

ছাত্রদলের পর এবার সংশপ্তক পর্ষদের ভোট বর্জন
ছাত্রদলের পর এবার সংশপ্তক পর্ষদের ভোট বর্জন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কারচুপির অভিযোগে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রফ্রন্টের সমন্বয়ে গঠিত ‘সংশপ্তক পর্ষদ’। এর আগে ছাত্রদল একই কারণে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সংশপ্তক পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা পালন করেছে এবং ছাত্রশিবিরকে জালিয়াতিতে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেন। অনিয়মের অভিযোগ সংশপ্তক পর্ষদের অভিযোগ অনুযায়ী— ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে জাল ভোট দেয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। ভোটকক্ষে পূরণ করা ব্যালট পাওয়া গেছে। শহীদ সালাম বরকত হলে ২৯৯ জন ভোটার থাকলেও সেখানে ৪০০টি ব্যালট সরবরাহ করা হয়। ভোটার তালিকায় ছবি না থাকায় বহিরাগতরা ভোট দিতে পেরেছে। রফিক-জব্বার হলে এ ধরনের প্রমাণও মিলেছে। প্রায় সবগুলো হলে বহিরাগতদের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। একাত্মতার আহ্বান সংশপ্তক পর্ষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা সবাই মিলে এই অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাই। প্রশাসন ও ছাত্রশিবিরের অপতৎপরতা রুখতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” প্রার্থীতা ও অন্যান্য ঘটনাপ্রবাহ যদিও সংশপ্তক পর্ষদ ভিপি পদে প্রার্থী দেয়নি, তবে তাদের প্যানেল থেকে জিএস পদে জাহিদুল ইসলাম ঈমন এবং এজিএস-নারী পদে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস প্রার্থী ছিলেন। এর আগে, বিকেল ৪টার দিকে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। একইসঙ্গে ছাত্র ইউনিয়নের অপর একাংশ সমর্থিত ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলও নির্বাচনে অনাস্থা প্রকাশ করে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬


ছাত্রদলের পর এবার সংশপ্তক পর্ষদের ভোট বর্জন

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
ছাত্রদলের পর এবার সংশপ্তক পর্ষদের ভোট বর্জন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কারচুপির অভিযোগে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্রফ্রন্টের সমন্বয়ে গঠিত ‘সংশপ্তক পর্ষদ’। এর আগে ছাত্রদল একই কারণে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সংশপ্তক পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভোট প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা পালন করেছে এবং ছাত্রশিবিরকে জালিয়াতিতে প্রত্যক্ষ সহায়তা করেছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেন। অনিয়মের অভিযোগ সংশপ্তক পর্ষদের অভিযোগ অনুযায়ী— ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে জাল ভোট দেয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। ভোটকক্ষে পূরণ করা ব্যালট পাওয়া গেছে। শহীদ সালাম বরকত হলে ২৯৯ জন ভোটার থাকলেও সেখানে ৪০০টি ব্যালট সরবরাহ করা হয়। ভোটার তালিকায় ছবি না থাকায় বহিরাগতরা ভোট দিতে পেরেছে। রফিক-জব্বার হলে এ ধরনের প্রমাণও মিলেছে। প্রায় সবগুলো হলে বহিরাগতদের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। একাত্মতার আহ্বান সংশপ্তক পর্ষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা সবাই মিলে এই অনিয়ম ও ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাই। প্রশাসন ও ছাত্রশিবিরের অপতৎপরতা রুখতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।” প্রার্থীতা ও অন্যান্য ঘটনাপ্রবাহ যদিও সংশপ্তক পর্ষদ ভিপি পদে প্রার্থী দেয়নি, তবে তাদের প্যানেল থেকে জিএস পদে জাহিদুল ইসলাম ঈমন এবং এজিএস-নারী পদে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস প্রার্থী ছিলেন। এর আগে, বিকেল ৪টার দিকে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। একইসঙ্গে ছাত্র ইউনিয়নের অপর একাংশ সমর্থিত ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলও নির্বাচনে অনাস্থা প্রকাশ করে।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল