মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে তাদের নেই।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, তারা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে এই অভিযান শুরু করেছেন—যার উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তার ভাষায়, এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করাই লক্ষ্য, যা আগে কল্পনাও করা যায়নি। তবে যুদ্ধ কতদিন চলবে বা নির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য কী—সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো সময়সীমা বা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর প্রশংসা করে নেতানিয়াহু বলেন, ট্রাম্প “এক কথার মানুষ”। তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্পষ্টবাদী এবং যা করতে পারেন, সেটিই করার সিদ্ধান্ত নেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের প্রতি তার আস্থার কথাই তুলে ধরেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
তবে সাক্ষাৎকারের শেষদিকে নেতানিয়াহুর একটি বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ শুরু করেছি। বাকি বিষয়টি ইরানের জনগণই দেখবে। তারাই নিজেদের রেজিম পরিবর্তন করে নেবে।” বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরি করাই এই সামরিক অভিযানের একটি অন্তর্নিহিত লক্ষ্য হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি বাজার ও কূটনৈতিক সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়ছে। যদিও নেতানিয়াহু বলেছেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছে নেই, তবু স্পষ্ট সময়সীমা না থাকায় পরিস্থিতি কত দ্রুত স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, এই যুদ্ধ দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছে তাদের নেই।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, তারা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে এই অভিযান শুরু করেছেন—যার উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। তার ভাষায়, এমন একটি বাস্তবতা তৈরি করাই লক্ষ্য, যা আগে কল্পনাও করা যায়নি। তবে যুদ্ধ কতদিন চলবে বা নির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য কী—সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো সময়সীমা বা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর প্রশংসা করে নেতানিয়াহু বলেন, ট্রাম্প “এক কথার মানুষ”। তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্পষ্টবাদী এবং যা করতে পারেন, সেটিই করার সিদ্ধান্ত নেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের প্রতি তার আস্থার কথাই তুলে ধরেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
তবে সাক্ষাৎকারের শেষদিকে নেতানিয়াহুর একটি বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা যুদ্ধ শুরু করেছি। বাকি বিষয়টি ইরানের জনগণই দেখবে। তারাই নিজেদের রেজিম পরিবর্তন করে নেবে।” বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের পরিবেশ তৈরি করাই এই সামরিক অভিযানের একটি অন্তর্নিহিত লক্ষ্য হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি বাজার ও কূটনৈতিক সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়ছে। যদিও নেতানিয়াহু বলেছেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছে নেই, তবু স্পষ্ট সময়সীমা না থাকায় পরিস্থিতি কত দ্রুত স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন