ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজধানীর সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে তিনি বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক মান পর্যালোচনা করেন।
রোগীর চাপ ও জনবল সংকট
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের সক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ অনেক বেশি। এতে সেবার মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি জানান, রোগীর তুলনায় সুযোগ-সুবিধা ও ফ্যাসিলিটি অপ্রতুল। বিশেষ করে পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফের ঘাটতি স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, “এত বেশি রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন যে বিদ্যমান অবকাঠামো দিয়ে সবার জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
ওষুধ সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা
তিনি আরও জানান, আগের তুলনায় হাসপাতালের ভেতরে তেলাপোকার উপদ্রব কিছুটা কমেছে। তবে এখনো সব রোগী প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না—যা একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
এছাড়া অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্বল্পতা এবং অপারেশন থিয়েটারগুলোর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
কড়া হুঁশিয়ারি
হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, সেবার মান উন্নয়নে কোনো গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনীয় সংস্কার ও জনবল নিয়োগের বিষয়ে দ্রুত পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
এই আকস্মিক পরিদর্শনকে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য একটি বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কতটা দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজধানীর সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে তিনি বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসাসেবার সার্বিক মান পর্যালোচনা করেন।
রোগীর চাপ ও জনবল সংকট
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের সক্ষমতার তুলনায় রোগীর চাপ অনেক বেশি। এতে সেবার মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। তিনি জানান, রোগীর তুলনায় সুযোগ-সুবিধা ও ফ্যাসিলিটি অপ্রতুল। বিশেষ করে পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফের ঘাটতি স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, “এত বেশি রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন যে বিদ্যমান অবকাঠামো দিয়ে সবার জন্য মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
ওষুধ সংকট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা
তিনি আরও জানান, আগের তুলনায় হাসপাতালের ভেতরে তেলাপোকার উপদ্রব কিছুটা কমেছে। তবে এখনো সব রোগী প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না—যা একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।
এছাড়া অ্যানেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্বল্পতা এবং অপারেশন থিয়েটারগুলোর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
কড়া হুঁশিয়ারি
হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, সেবার মান উন্নয়নে কোনো গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনীয় সংস্কার ও জনবল নিয়োগের বিষয়ে দ্রুত পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
এই আকস্মিক পরিদর্শনকে হাসপাতালের সেবাব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য একটি বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়, ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে কতটা দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন