মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান এখনো তাদের সবচেয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা Islamic Republic News Agency (ইরনা)-র বরাতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা অব্যাহত রাখার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। তার ভাষায়, “আমাদের প্রতিরোধ করার এবং এই চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে শত্রুপক্ষ যা পরিকল্পনা করেছে, তার চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রথম কয়েক দিনেই আমাদের সব অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম মোতায়েন করার ইচ্ছা রাখি না।” বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তারা কৌশলগতভাবে ধাপে ধাপে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে এবং এখনো তাদের পূর্ণ সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেনি।
সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এতে যুক্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাদের সামরিক নীতি ‘ধৈর্য ও হিসাবকৃত প্রতিক্রিয়া’-র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ফলে হঠাৎ করে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ না করে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এমন বক্তব্য একদিকে অভ্যন্তরীণ সমর্থন জোরদার করার কৌশল, অন্যদিকে প্রতিপক্ষের কাছে একটি বার্তা—সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে।
তবে এই দাবির স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি। ইসরায়েল বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
চলমান পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট—সংঘাত দ্রুত থামার সম্ভাবনা আপাতত কম, এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান এখনো তাদের সবচেয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা Islamic Republic News Agency (ইরনা)-র বরাতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা অব্যাহত রাখার সক্ষমতা তাদের রয়েছে। তার ভাষায়, “আমাদের প্রতিরোধ করার এবং এই চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে শত্রুপক্ষ যা পরিকল্পনা করেছে, তার চেয়েও দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রথম কয়েক দিনেই আমাদের সব অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম মোতায়েন করার ইচ্ছা রাখি না।” বিশ্লেষকদের মতে, এ বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তারা কৌশলগতভাবে ধাপে ধাপে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে এবং এখনো তাদের পূর্ণ সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেনি।
সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এতে যুক্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও। তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাদের সামরিক নীতি ‘ধৈর্য ও হিসাবকৃত প্রতিক্রিয়া’-র ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ফলে হঠাৎ করে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ না করে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এমন বক্তব্য একদিকে অভ্যন্তরীণ সমর্থন জোরদার করার কৌশল, অন্যদিকে প্রতিপক্ষের কাছে একটি বার্তা—সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে।
তবে এই দাবির স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি। ইসরায়েল বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
চলমান পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট—সংঘাত দ্রুত থামার সম্ভাবনা আপাতত কম, এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন