ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন: চার দিনের গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন: চার দিনের গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার
মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন: চার দিনের গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার -রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি খণ্ডকালীন গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। চুরি করতে গিয়ে গৃহিণী লায়লা আফরোজ ও তার কন্যা নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে হত্যা করে আয়েশা—এমনটিই জানায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে এক ব্রিফিংয়ে ডিএমপি এ তথ্য নিশ্চিত করে। ডিএমপি জানায়, আয়েশা নরসিংদীর সলিমগঞ্জ এলাকার রবিউল ইসলামের মেয়ে। তিনি ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর পূর্বহাটিতে স্বামী রাব্বী সিকদারের সঙ্গে থাকতেন। হত্যাকাণ্ডের পর আয়েশা পালিয়ে যান। বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার গতিবিধি শনাক্ত করে ঝালকাঠির নলছিটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম চার দিন আগে আয়েশাকে খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ করেন। ঘটনাদিন সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বাসায় কাজে আসে এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। সে সময় সে একটি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়।   আজিজুল ইসলাম জানান, সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার পর স্ত্রী লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। দুপুরে বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি দ্রুত মেয়েকে হাসপাতালে নেন। কিন্তু চিকিৎসক নাফিসাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাসায় নিহত অবস্থায় পাওয়া যায় লায়লা আফরোজকেও।   মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ একাধিক টিম গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুতই হত্যার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়। তদন্ত চলছে এবং আয়েশার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান করা হচ্ছে।   এই মর্মান্তিক ঘটনা পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং মানুষ ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় ঘটনাটির অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন: চার দিনের গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার

প্রকাশের তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image
মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন: চার দিনের গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার -রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা–মেয়ে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি খণ্ডকালীন গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। চুরি করতে গিয়ে গৃহিণী লায়লা আফরোজ ও তার কন্যা নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে হত্যা করে আয়েশা—এমনটিই জানায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে এক ব্রিফিংয়ে ডিএমপি এ তথ্য নিশ্চিত করে। ডিএমপি জানায়, আয়েশা নরসিংদীর সলিমগঞ্জ এলাকার রবিউল ইসলামের মেয়ে। তিনি ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুর পূর্বহাটিতে স্বামী রাব্বী সিকদারের সঙ্গে থাকতেন। হত্যাকাণ্ডের পর আয়েশা পালিয়ে যান। বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার গতিবিধি শনাক্ত করে ঝালকাঠির নলছিটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বামীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে জানা যায়, নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম চার দিন আগে আয়েশাকে খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ করেন। ঘটনাদিন সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বাসায় কাজে আসে এবং সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। সে সময় সে একটি মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়।   আজিজুল ইসলাম জানান, সকালে কর্মস্থলে যাওয়ার পর স্ত্রী লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। দুপুরে বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তিনি দ্রুত মেয়েকে হাসপাতালে নেন। কিন্তু চিকিৎসক নাফিসাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাসায় নিহত অবস্থায় পাওয়া যায় লায়লা আফরোজকেও।   মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ একাধিক টিম গঠন করে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুতই হত্যার রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়। তদন্ত চলছে এবং আয়েশার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান করা হচ্ছে।   এই মর্মান্তিক ঘটনা পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং মানুষ ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় ঘটনাটির অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে আছে।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল