সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে—এই আশায় জীবনের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় খরচ করে প্রায় ২২ লাখ টাকা দিয়ে বাড়ি তৈরি করেছিলেন এক বৃদ্ধ বাবা। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, কৌশলে সেই বাড়ি ও জমিজমা নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন সন্তানরা। নিজের হাতে গড়ে তোলা সেই বাড়িতে শেষ পর্যন্ত শান্তিতে থাকা হয়নি তাঁর।
বৃদ্ধ বাবার ভাষ্য অনুযায়ী, ছেলের সংসারে থাকার সময়ও তাঁকে নানা কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেক সময় ঠিকমতো খাবার না পাওয়া, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝামেলা এবং বিভিন্ন কারণে তাঁকে দোষারোপ করার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। দিনের পর দিন এসব কষ্ট সহ্য করার পর একপর্যায়ে তিনি আর সন্তানদের সংসারে থাকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নেন বৃদ্ধাশ্রমে।
জীবনের সঞ্চয় দিয়ে সন্তানদের জন্য বাড়ি বানিয়ে দেওয়া সেই বাবা আজ শেষ বয়সে অন্যের আশ্রয়ে থাকলেও সন্তানদের প্রতি তাঁর কোনো অভিযোগ বা অভিশাপ নেই। বরং মোনাজাতে তিনি সন্তানদের জন্যই দোয়া করেন—তারা যেন ভালো থাকে, সুখে থাকে এবং জীবনে আরও বড় হতে পারে।
নিজের জীবনের কষ্টকে ভাগ্য ও কর্মফল হিসেবে মেনে নিয়ে আজও সন্তানদের অমঙ্গল চান না এই বাবা। একজন বাবার হৃদয়ে সন্তানের প্রতি ভালোবাসা যে কতটা গভীর, তাঁর এই গল্প যেন তারই এক নির্মম উদাহরণ।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুন্দর হবে—এই আশায় জীবনের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় খরচ করে প্রায় ২২ লাখ টাকা দিয়ে বাড়ি তৈরি করেছিলেন এক বৃদ্ধ বাবা। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, কৌশলে সেই বাড়ি ও জমিজমা নিজেদের নামে রেজিস্ট্রি করে নেন সন্তানরা। নিজের হাতে গড়ে তোলা সেই বাড়িতে শেষ পর্যন্ত শান্তিতে থাকা হয়নি তাঁর।
বৃদ্ধ বাবার ভাষ্য অনুযায়ী, ছেলের সংসারে থাকার সময়ও তাঁকে নানা কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। অনেক সময় ঠিকমতো খাবার না পাওয়া, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝামেলা এবং বিভিন্ন কারণে তাঁকে দোষারোপ করার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। দিনের পর দিন এসব কষ্ট সহ্য করার পর একপর্যায়ে তিনি আর সন্তানদের সংসারে থাকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নেন বৃদ্ধাশ্রমে।
জীবনের সঞ্চয় দিয়ে সন্তানদের জন্য বাড়ি বানিয়ে দেওয়া সেই বাবা আজ শেষ বয়সে অন্যের আশ্রয়ে থাকলেও সন্তানদের প্রতি তাঁর কোনো অভিযোগ বা অভিশাপ নেই। বরং মোনাজাতে তিনি সন্তানদের জন্যই দোয়া করেন—তারা যেন ভালো থাকে, সুখে থাকে এবং জীবনে আরও বড় হতে পারে।
নিজের জীবনের কষ্টকে ভাগ্য ও কর্মফল হিসেবে মেনে নিয়ে আজও সন্তানদের অমঙ্গল চান না এই বাবা। একজন বাবার হৃদয়ে সন্তানের প্রতি ভালোবাসা যে কতটা গভীর, তাঁর এই গল্প যেন তারই এক নির্মম উদাহরণ।

আপনার মতামত লিখুন