কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’
বয়সের ভারে ন্যুব্জ, দীর্ঘ জীবনের শতবর্ষ পেরিয়ে যাওয়া এক প্রবীণ দম্পতি। কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী টেপারকুটি গ্রামের নিবাসী প্রায় ১৩৬ বছর বয়সী হোসেন মন্ডল ও তাঁর সহধর্মিণী চরম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এই প্রবীণ দম্পতির দুর্ভোগ ও কষ্টের কথা জানতে পেরে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’।
অসহায় ও বয়োভারাক্রান্ত এই প্রবীণ দম্পতির দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করতে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাঁদের বাড়িতে একটি পাকা টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এক মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তথা মাসিক বাজার এবং চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা। বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং খাদ্য ও চিকিৎসার অনিশ্চয়তায় থাকা এই দম্পতি এই সহায়তায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।
সম্পূর্ণ মানবিক এই উদ্যোগটির সার্বিক অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধান করেন ‘রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশন এর - সম্মানিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান।
সহায়তা সামগ্রী প্রদানকালে যুব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন,
আমাদের সমাজের প্রবীণ ও অসহায় মানুষগুলোই আমাদের শেকড় এবং পরম অভিভাবক। ১৩৬ বছর বয়সে এসে এই দম্পতির মানবেতর জীবনযাপন আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। জন্মভূমি ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশন সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছে। আজ সামান্য কিছু উপহার নিয়ে এই প্রবীণ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও ধন্য বোধ করছি। আমাদের এলাকার কোনো প্রবীণ মানুষ যেন অবহেলায় কিংবা কষ্টের মধ্যে দিন না কাটান, সেজন্য সমাজের বিত্তবান ও উদ্যমী যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
এসময় মানবিক এই কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ সহযোগী সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সচেতন জনতা। ফাউন্ডেশনের এমন সময়োপযোগী ও মহৎ উদ্যোগটি এলাকাবাসী ও সুধীমহলে ব্যাপক প্রশংসার কুড়িয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এলাকার অবহেলিত ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এমন সুন্দর ও মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’
বয়সের ভারে ন্যুব্জ, দীর্ঘ জীবনের শতবর্ষ পেরিয়ে যাওয়া এক প্রবীণ দম্পতি। কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার কেদার ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী টেপারকুটি গ্রামের নিবাসী প্রায় ১৩৬ বছর বয়সী হোসেন মন্ডল ও তাঁর সহধর্মিণী চরম মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এই প্রবীণ দম্পতির দুর্ভোগ ও কষ্টের কথা জানতে পেরে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন’।
অসহায় ও বয়োভারাক্রান্ত এই প্রবীণ দম্পতির দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব করতে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাঁদের বাড়িতে একটি পাকা টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এক মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তথা মাসিক বাজার এবং চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা। বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং খাদ্য ও চিকিৎসার অনিশ্চয়তায় থাকা এই দম্পতি এই সহায়তায় কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।
সম্পূর্ণ মানবিক এই উদ্যোগটির সার্বিক অর্থায়ন ও তত্ত্বাবধান করেন ‘রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশন এর - সম্মানিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান।
সহায়তা সামগ্রী প্রদানকালে যুব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বক্তব্যে বলেন,
আমাদের সমাজের প্রবীণ ও অসহায় মানুষগুলোই আমাদের শেকড় এবং পরম অভিভাবক। ১৩৬ বছর বয়সে এসে এই দম্পতির মানবেতর জীবনযাপন আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। জন্মভূমি ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশন সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছে। আজ সামান্য কিছু উপহার নিয়ে এই প্রবীণ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও ধন্য বোধ করছি। আমাদের এলাকার কোনো প্রবীণ মানুষ যেন অবহেলায় কিংবা কষ্টের মধ্যে দিন না কাটান, সেজন্য সমাজের বিত্তবান ও উদ্যমী যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
এসময় মানবিক এই কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন রশিদ মন্ডল যুব ফাউন্ডেশনের নিবেদিতপ্রাণ সহযোগী সদস্যবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সচেতন জনতা। ফাউন্ডেশনের এমন সময়োপযোগী ও মহৎ উদ্যোগটি এলাকাবাসী ও সুধীমহলে ব্যাপক প্রশংসার কুড়িয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এলাকার অবহেলিত ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে এমন সুন্দর ও মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন