তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনে ( মাউসির) সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বগুড়াতে মানববন্ধন করেছেন উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।
বুধবার সকাল ১১ টায় শহরে প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লটারিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হলে তা মেধা যাচাই হয়না ।
ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতা যাচাই করে ভালো বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যেতে পারে ।
আন্দোলনরত অভিভাবকদের দাবি সরকারি স্কুলে তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে আগের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অবিলম্বে চালু করতে হবে। মাউসির খসড়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পরিক্ষা পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি সমগ্র ভর্তি প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথা বলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতিকে মূল্যায়ন না করে শুধু ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে লটারির মাধ্যমে ভর্তি নির্ধারণ করা হলে শিক্ষার মান ও সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ।
অভিবাবক শাহানুর আলম রনি বলেন, আজ আমাদের রাস্তায় নেমে আসতে হয়েছে। একটায় কারন আমাদের বাচ্চাদের আর লটারী মাধ্যমে মেধা যাচাইয়ে রাজি নয়। লেখাপড়া কোন জুয়া নয় যে লটারি করবে,বাচ্চাদের জন্য একমাত্র মেধার যাচাইয়ে ভর্তি পরিক্ষা হওয়া উচিত।
তিনি আরো জানান, বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকার লটারীর মাধ্যমে শিক্ষায় জাতির মেধা শূন্য করে গেছে। বর্তমান সরকার তা না করুক। আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ঐ পথে আর ফিরে না যাক। মেধা শূন্য না করে পরীক্ষার মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম কেমলমতি বাচ্চাদের মেধা যাচায় করা হোক এমনটায় আশা সচেতন অভিভাবকদের।
অভিভাবক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে আমি একটা কথা বলতে চাই আওয়ামীলীগের সময় লটারী ছিলো আমরা মনে করছি বিএনপির সময় ভর্তি পদ্ধতি পরিবর্তন হবে কিন্তু তা হচ্ছে না । বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী একই কাজ করছে । আমরা এটা আশা করি না। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী লটারীতে সরকার স্কুলে সুযোগ না পেলে মানষিক ভাবে মনোবল হারিয়ে ফেলে। পড়াশোনাট প্রতি মনোনিবেশ অনাগ্রহী তৈরি করে।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক আনোয়ার হোসন নয়ন,জান্নাতুল ফেরদৌস,রিমা খাতুন,শিক্ষার্থী তানহা,ফাবিহা,সাবিহা প্রমুখ। এ সময় তাঁরা দ্রুত বর্তমান ভর্তি নীতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে তৃতীয় ও নবম শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের জোরালো দাবি জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনে ( মাউসির) সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বগুড়াতে মানববন্ধন করেছেন উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।
বুধবার সকাল ১১ টায় শহরে প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লটারিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হলে তা মেধা যাচাই হয়না ।
ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতা যাচাই করে ভালো বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে, যা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনোবল ভেঙে যেতে পারে ।
আন্দোলনরত অভিভাবকদের দাবি সরকারি স্কুলে তৃতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে আগের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অবিলম্বে চালু করতে হবে। মাউসির খসড়া সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পরিক্ষা পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি সমগ্র ভর্তি প্রক্রিয়ায় শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার কথা বলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পড়াশোনা ও পরীক্ষার প্রস্তুতিকে মূল্যায়ন না করে শুধু ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে লটারির মাধ্যমে ভর্তি নির্ধারণ করা হলে শিক্ষার মান ও সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ মারাত্মভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ।
অভিবাবক শাহানুর আলম রনি বলেন, আজ আমাদের রাস্তায় নেমে আসতে হয়েছে। একটায় কারন আমাদের বাচ্চাদের আর লটারী মাধ্যমে মেধা যাচাইয়ে রাজি নয়। লেখাপড়া কোন জুয়া নয় যে লটারি করবে,বাচ্চাদের জন্য একমাত্র মেধার যাচাইয়ে ভর্তি পরিক্ষা হওয়া উচিত।
তিনি আরো জানান, বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকার লটারীর মাধ্যমে শিক্ষায় জাতির মেধা শূন্য করে গেছে। বর্তমান সরকার তা না করুক। আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ঐ পথে আর ফিরে না যাক। মেধা শূন্য না করে পরীক্ষার মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম কেমলমতি বাচ্চাদের মেধা যাচায় করা হোক এমনটায় আশা সচেতন অভিভাবকদের।
অভিভাবক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে আমি একটা কথা বলতে চাই আওয়ামীলীগের সময় লটারী ছিলো আমরা মনে করছি বিএনপির সময় ভর্তি পদ্ধতি পরিবর্তন হবে কিন্তু তা হচ্ছে না । বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী একই কাজ করছে । আমরা এটা আশা করি না। একজন মেধাবী শিক্ষার্থী লটারীতে সরকার স্কুলে সুযোগ না পেলে মানষিক ভাবে মনোবল হারিয়ে ফেলে। পড়াশোনাট প্রতি মনোনিবেশ অনাগ্রহী তৈরি করে।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন অভিভাবক আনোয়ার হোসন নয়ন,জান্নাতুল ফেরদৌস,রিমা খাতুন,শিক্ষার্থী তানহা,ফাবিহা,সাবিহা প্রমুখ। এ সময় তাঁরা দ্রুত বর্তমান ভর্তি নীতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে তৃতীয় ও নবম শ্রেণিতে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের জোরালো দাবি জানান। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

আপনার মতামত লিখুন