এক মাস পর উদ্ধার ৩ বছরের বায়েজিদ, কিন্তু মা-বাবা কোথায়?
মাত্র তিন বছরের শিশু বায়েজিদ। মা-বাবা মাদক মামলায় জেলহাজতে থাকায় প্রতিবেশীদের তত্ত্বাবধানে ছিল সে। কিন্তু গত ১৬ আগস্ট বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় শিশুটি।
প্রায় এক মাস পর গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে গাজীপুরের পূবাইলের একটি বাসা থেকে বায়েজিদকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শহিদ ও তার স্ত্রী শিল্পী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরে অন্যদের কাছে আটকে রাখা হয়। কেন তাকে সেখানে রাখা হয়েছিল, এর পেছনে আর কেউ জড়িত কি না এবং শিশুটির সঙ্গে কোনো ধরনের নির্যাতন হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে বের করা জরুরি।
বায়েজিদ জানে না মাদক কী, মামলা কী কিংবা জেল কী। সে শুধু জানে—তার একজন মা আছে, একজন বাবা আছে এবং আপনজনের কাছে ফিরে যাওয়ার একটি ছোট্ট পৃথিবী আছে।
দীর্ঘ এক মাস পর শিশুটির উদ্ধার স্বস্তির খবর হলেও, তার নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
বায়েজিদের অপরাধ একটাই—সে ছিল অসহায়। আর কোনো শিশুর শৈশব যেন অপরাধীদের লোভের কাছে জিম্মি না হয়।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক মাস পর উদ্ধার ৩ বছরের বায়েজিদ, কিন্তু মা-বাবা কোথায়?
মাত্র তিন বছরের শিশু বায়েজিদ। মা-বাবা মাদক মামলায় জেলহাজতে থাকায় প্রতিবেশীদের তত্ত্বাবধানে ছিল সে। কিন্তু গত ১৬ আগস্ট বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়ে যায় শিশুটি।
প্রায় এক মাস পর গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে গাজীপুরের পূবাইলের একটি বাসা থেকে বায়েজিদকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শহিদ ও তার স্ত্রী শিল্পী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে মামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, অসহায় অবস্থার সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরে অন্যদের কাছে আটকে রাখা হয়। কেন তাকে সেখানে রাখা হয়েছিল, এর পেছনে আর কেউ জড়িত কি না এবং শিশুটির সঙ্গে কোনো ধরনের নির্যাতন হয়েছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে বের করা জরুরি।
বায়েজিদ জানে না মাদক কী, মামলা কী কিংবা জেল কী। সে শুধু জানে—তার একজন মা আছে, একজন বাবা আছে এবং আপনজনের কাছে ফিরে যাওয়ার একটি ছোট্ট পৃথিবী আছে।
দীর্ঘ এক মাস পর শিশুটির উদ্ধার স্বস্তির খবর হলেও, তার নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।
বায়েজিদের অপরাধ একটাই—সে ছিল অসহায়। আর কোনো শিশুর শৈশব যেন অপরাধীদের লোভের কাছে জিম্মি না হয়।

আপনার মতামত লিখুন