বন্ধ দরজার আড়ালে ভয়াবহ রহস্য! নারী-পুরুষ ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকার আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসার বন্ধ কক্ষ থেকে এক নারী, এক পুরুষ ও সদ্য ভূমিষ্ঠ এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই কক্ষে একজন নারী ও একজন পুরুষ থাকতেন। কয়েকদিন ধরে ঘরটির দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে কক্ষ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পুলিশ গিয়ে কক্ষের ভেতর এক নারী, এক পুরুষ ও সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি নবজাতকের মরদেহ দেখতে পায়। তবে এখনো তাদের কারও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার সবচেয়ে রহস্যজনক দিক হলো, অজ্ঞাত পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পাওয়া গেছে। এ কারণে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
ওই নারী ও পুরুষের সম্পর্ক কী ছিল, নবজাতকটি তাদের সন্তান কি না, শিশুটির জন্ম কখন ও কী পরিস্থিতিতে হয়েছিল—এসব প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।
তিনজনের পরিচয় এবং বন্ধ দরজার আড়ালে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বন্ধ দরজার আড়ালে ভয়াবহ রহস্য! নারী-পুরুষ ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার
ঢাকার আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসার বন্ধ কক্ষ থেকে এক নারী, এক পুরুষ ও সদ্য ভূমিষ্ঠ এক নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘর থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশীদের সন্দেহ হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে হাজী হযরত আলীর চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই কক্ষে একজন নারী ও একজন পুরুষ থাকতেন। কয়েকদিন ধরে ঘরটির দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে কক্ষ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পুলিশ গিয়ে কক্ষের ভেতর এক নারী, এক পুরুষ ও সদ্য ভূমিষ্ঠ একটি নবজাতকের মরদেহ দেখতে পায়। তবে এখনো তাদের কারও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার সবচেয়ে রহস্যজনক দিক হলো, অজ্ঞাত পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পাওয়া গেছে। এ কারণে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
ওই নারী ও পুরুষের সম্পর্ক কী ছিল, নবজাতকটি তাদের সন্তান কি না, শিশুটির জন্ম কখন ও কী পরিস্থিতিতে হয়েছিল—এসব প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।
তিনজনের পরিচয় এবং বন্ধ দরজার আড়ালে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন