পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার খায়েরহাট বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের খায়েরহাট বাজারে এ অভিযান শুরু হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন পিরোজপুরের জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোবায়েত ফেরদাউস ও জিয়ানগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, খায়েরহাট বাজার এলাকায় সরকারি খাসজমি দখল করে দোকানঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এসব স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হলেও তা অপসারণ করা হয়নি। পরে সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়।অভিযান চলাকালে সরকারি জমিতে নির্মিত বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জামাল মোল্লা, মামুন, বাশার আকন, নুরুল ইসলাম, বাশার মৃধা, হাবিবুর রহমান, সোবহান খাঁ ও আনিসসহ কয়েকজন জড়িত।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুরের জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোবায়েত ফেরদাউস বলেন, ‘সরকারি খাসজমি দখল করে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবেন না। সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে আইন অনুযায়ী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার খায়েরহাট বাজারে সরকারি খাসজমি দখল করে নির্মাণ করা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের খায়েরহাট বাজারে এ অভিযান শুরু হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন পিরোজপুরের জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোবায়েত ফেরদাউস ও জিয়ানগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, খায়েরহাট বাজার এলাকায় সরকারি খাসজমি দখল করে দোকানঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এসব স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হলেও তা অপসারণ করা হয়নি। পরে সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়।অভিযান চলাকালে সরকারি জমিতে নির্মিত বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ রয়েছে, সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে জামাল মোল্লা, মামুন, বাশার আকন, নুরুল ইসলাম, বাশার মৃধা, হাবিবুর রহমান, সোবহান খাঁ ও আনিসসহ কয়েকজন জড়িত।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুরের জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোবায়েত ফেরদাউস বলেন, ‘সরকারি খাসজমি দখল করে কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবেন না। সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে আইন অনুযায়ী এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন