হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের বাথরুমে যুবক-যুবতী, রোগীর স্বজনদের হাতে আটক
যশোরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের একটি বাথরুম থেকে এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন রোগীর স্বজনরা। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালের তিনতলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
আটক দুজন হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা মোস্তাক শাহারিয়ার এবং যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের আফরিন আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের দাবি, বিকেলের দিকে ওই যুবক ও যুবতী একসঙ্গে মহিলা ওয়ার্ডের একটি বাথরুমে প্রবেশ করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তারা বাইরে না আসায় উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি হাসপাতাল পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
হাসপাতাল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। কখনো তারা নিজেদের প্রেমের সম্পর্কে জড়িত বলে দাবি করেছেন, আবার কখনো স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে অসংগতি থাকায় ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের বাথরুমে যুবক-যুবতী, রোগীর স্বজনদের হাতে আটক
যশোরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের একটি বাথরুম থেকে এক যুবক ও এক যুবতীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন রোগীর স্বজনরা। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালের তিনতলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
আটক দুজন হলেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা মোস্তাক শাহারিয়ার এবং যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের আফরিন আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের দাবি, বিকেলের দিকে ওই যুবক ও যুবতী একসঙ্গে মহিলা ওয়ার্ডের একটি বাথরুমে প্রবেশ করেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তারা বাইরে না আসায় উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি হাসপাতাল পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
হাসপাতাল পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। কখনো তারা নিজেদের প্রেমের সম্পর্কে জড়িত বলে দাবি করেছেন, আবার কখনো স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে অসংগতি থাকায় ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন