ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

একই দিনে শিশু, বাবা ও দাদির মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ একটি পরিবার

একই দিনে শিশু, বাবা ও দাদির মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ একটি পরিবার

মাথায় গুরুতর আ'ঘাত নিয়ে হাসপাতালে শিশু, জীবন বাঁচাতে জরুরি অস্ত্রোপচার—

মাথায় গুরুতর আ'ঘাত নিয়ে হাসপাতালে শিশু, জীবন বাঁচাতে জরুরি অস্ত্রোপচার—

এক রাতের মাহফিলে লাখ টাকা, অথচ সারা বছর ইমামের ন্যায্য বেতন দিতে অনীহা! প্রশ্ন তুললেন ফাতেমা আয়াত

এক রাতের মাহফিলে লাখ টাকা, অথচ সারা বছর ইমামের ন্যায্য বেতন দিতে অনীহা! প্রশ্ন তুললেন ফাতেমা আয়াত

চোখের আলো কমলেও স্বপ্ন থামেনি, যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি অর্জন তানভীরের

চোখের আলো কমলেও স্বপ্ন থামেনি, যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি অর্জন তানভীরের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এইচআরডিএসের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে স্বপ্নের পথে কলি

দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে স্বপ্নের পথে কলি

এইচএসসিতে ৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের অভিনব প্রতিবাদ

এইচএসসিতে ৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের অভিনব প্রতিবাদ

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অসহায় বাবা, মায়ের সঙ্গে যায়নি ছোট্ট মেয়ে! বাবার সেবায় দিন কাটছে শিশুটির

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অসহায় বাবা, মায়ের সঙ্গে যায়নি ছোট্ট মেয়ে! বাবার সেবায় দিন কাটছে শিশুটির

আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্বজনদের মাঝে।

কাতারে সড়ক দুর্ঘট'নায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশি প্রবাসীর, শোকে স্তব্ধ স্বজনরা

কাতারে সড়ক দুর্ঘট'নায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশি প্রবাসীর, শোকে স্তব্ধ স্বজনরা

 কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশি প্রবাসীর, শোকে স্তব্ধ স্বজনরা

বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতেন তারা। কিন্তু সেই স্বপ্নই মুহূর্তের মধ্যে থেমে গেল এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়। কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্বজনদের মাঝে।

জানা গেছে, নিহতরা সবাই জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়েছিলেন। পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করা, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়া, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দায়িত্ব পালন এবং স্বজনদের সুখী জীবন উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা বিদেশের মাটিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নির্মম ভাগ্য তাদের আর ঘরে ফেরার সুযোগ দিল না।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, কেউ ছিলেন সন্তানদের ভবিষ্যতের প্রধান ভরসা। অনেকেই হয়তো দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, পরিবারের জন্য উপহার কেনার পরিকল্পনা করছিলেন কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে নতুন স্বপ্ন বুনছিলেন। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা সব পরিকল্পনা ও স্বপ্নকে চিরতরে থামিয়ে দিয়েছে।

প্রবাসজীবন মানেই পরিবারের সুখের জন্য নিজের কষ্টকে আড়াল করে রাখা। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, কঠিন পরিবেশ, একাকীত্ব এবং শারীরিক-মানসিক চাপের মধ্যেও প্রবাসীরা পরিবারের জন্য নিরলস সংগ্রাম করে যান। তাদের পাঠানো অর্থে চলে অসংখ্য পরিবার, আলোকিত হয় বহু ঘর। কিন্তু সেই অর্থের পেছনে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য ত্যাগ ও না বলা কষ্টের গল্প।

নিহত পাঁচ প্রবাসীর মৃত্যুর খবরে দেশে তাদের পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে শোকের মাতম। কোনো মা হারিয়েছেন তার সন্তানের ভরসা, কোনো স্ত্রী হারিয়েছেন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন, আবার কোনো শিশু হারিয়েছে তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে। অনেকেই এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে যাদের ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা আর কখনও ঘরের দরজায় কড়া নাড়বেন না।

এই দুর্ঘটনা শুধু পাঁচজন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়নি; বরং পাঁচটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের বড় একটি অংশও কেড়ে নিয়েছে। তাদের মৃত্যু নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়, প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম কতটা কঠিন এবং তাদের ত্যাগ কতটা মূল্যবান।

আল্লাহ তাআলা মরহুমদের ক্ষমা করুন, তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর হৃদয়ে ধৈর্য দান করুন। আমিন।

প্রবাসীরা মারা গেলে শুধু একজন মানুষ মারা যান না, একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় ভরসাটাও হারিয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


কাতারে সড়ক দুর্ঘট'নায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশি প্রবাসীর, শোকে স্তব্ধ স্বজনরা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬

featured Image

 কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশি প্রবাসীর, শোকে স্তব্ধ স্বজনরা

বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখতেন তারা। কিন্তু সেই স্বপ্নই মুহূর্তের মধ্যে থেমে গেল এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায়। কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী। তাদের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্বজনদের মাঝে।

জানা গেছে, নিহতরা সবাই জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়েছিলেন। পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করা, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়া, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দায়িত্ব পালন এবং স্বজনদের সুখী জীবন উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা বিদেশের মাটিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নির্মম ভাগ্য তাদের আর ঘরে ফেরার সুযোগ দিল না।

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, কেউ ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, কেউ ছিলেন সন্তানদের ভবিষ্যতের প্রধান ভরসা। অনেকেই হয়তো দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, পরিবারের জন্য উপহার কেনার পরিকল্পনা করছিলেন কিংবা প্রিয়জনদের সঙ্গে নতুন স্বপ্ন বুনছিলেন। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা সব পরিকল্পনা ও স্বপ্নকে চিরতরে থামিয়ে দিয়েছে।

প্রবাসজীবন মানেই পরিবারের সুখের জন্য নিজের কষ্টকে আড়াল করে রাখা। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, কঠিন পরিবেশ, একাকীত্ব এবং শারীরিক-মানসিক চাপের মধ্যেও প্রবাসীরা পরিবারের জন্য নিরলস সংগ্রাম করে যান। তাদের পাঠানো অর্থে চলে অসংখ্য পরিবার, আলোকিত হয় বহু ঘর। কিন্তু সেই অর্থের পেছনে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য ত্যাগ ও না বলা কষ্টের গল্প।

নিহত পাঁচ প্রবাসীর মৃত্যুর খবরে দেশে তাদের পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে শোকের মাতম। কোনো মা হারিয়েছেন তার সন্তানের ভরসা, কোনো স্ত্রী হারিয়েছেন জীবনের সবচেয়ে বড় অবলম্বন, আবার কোনো শিশু হারিয়েছে তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে। অনেকেই এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে যাদের ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা আর কখনও ঘরের দরজায় কড়া নাড়বেন না।

এই দুর্ঘটনা শুধু পাঁচজন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়নি; বরং পাঁচটি পরিবারের স্বপ্ন, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের বড় একটি অংশও কেড়ে নিয়েছে। তাদের মৃত্যু নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়, প্রবাসীদের জীবনসংগ্রাম কতটা কঠিন এবং তাদের ত্যাগ কতটা মূল্যবান।

আল্লাহ তাআলা মরহুমদের ক্ষমা করুন, তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর হৃদয়ে ধৈর্য দান করুন। আমিন।

প্রবাসীরা মারা গেলে শুধু একজন মানুষ মারা যান না, একটি পরিবারের সবচেয়ে বড় ভরসাটাও হারিয়ে যায়।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল