শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের নাম বদলে নিজের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব, বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আল
বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে নিজের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। প্রস্তাব অনুযায়ী বিদ্যালয়টির নতুন নাম হবে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ, বগুড়া’।
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে জীবিত কোনো ব্যক্তির নাম যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।
বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এদিকে, নাম পরিবর্তনের পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন মতামত সামনে আসছে। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন, বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও পরিচিতি অক্ষুণ্ন রাখা উচিত। অন্যদিকে সমর্থকরা বলছেন, শিক্ষা খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবটি নিয়ে এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের নাম বদলে নিজের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব, বিতর্কে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আল
বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে নিজের নাম যুক্ত করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। প্রস্তাব অনুযায়ী বিদ্যালয়টির নতুন নাম হবে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ, বগুড়া’।
১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে জীবিত কোনো ব্যক্তির নাম যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।
বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এদিকে, নাম পরিবর্তনের পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন মতামত সামনে আসছে। স্থানীয়দের একাংশ মনে করছেন, বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও পরিচিতি অক্ষুণ্ন রাখা উচিত। অন্যদিকে সমর্থকরা বলছেন, শিক্ষা খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবটি নিয়ে এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন