পিঠে করে মাকে বাঁচাতে শত কিলোমিটার পথ, রোহিঙ্গা তরুণ জাফরের গল্পে আবেগাপ্লুত বিশ্ব
রাখাইনে ২০১৭ সালের সংকটের ভয়াবহ সময়ে নিজের অসুস্থ মাকে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দিতে অসাধারণ মানবিকতার পরিচয় দেন রোহিঙ্গা তরুণ জাফর আলম। তার মা আছিয়া খাতুন অসুস্থতার কারণে হাঁটতে না পারায় পুরো পথজুড়ে তাকে পিঠে বহন করে এগিয়ে যান তিনি।
দীর্ঘ ও কষ্টকর সেই যাত্রায় ছিল ক্ষুধা, ক্লান্তি, অনিশ্চয়তা এবং নানা প্রতিকূলতা। কিন্তু মায়ের নিরাপত্তার প্রশ্নে এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাননি জাফর। অবশেষে তারা নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হন, যেখানে আছিয়া খাতুন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পান।
জাফর আলমের এই আত্মত্যাগ ও মায়ের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। অনেকের কাছে এটি একজন সন্তানের দায়িত্ববোধ, মানবিকতা এবং মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার অনন্য উদাহরণ হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
পিঠে করে মাকে বাঁচাতে শত কিলোমিটার পথ, রোহিঙ্গা তরুণ জাফরের গল্পে আবেগাপ্লুত বিশ্ব
রাখাইনে ২০১৭ সালের সংকটের ভয়াবহ সময়ে নিজের অসুস্থ মাকে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দিতে অসাধারণ মানবিকতার পরিচয় দেন রোহিঙ্গা তরুণ জাফর আলম। তার মা আছিয়া খাতুন অসুস্থতার কারণে হাঁটতে না পারায় পুরো পথজুড়ে তাকে পিঠে বহন করে এগিয়ে যান তিনি।
দীর্ঘ ও কষ্টকর সেই যাত্রায় ছিল ক্ষুধা, ক্লান্তি, অনিশ্চয়তা এবং নানা প্রতিকূলতা। কিন্তু মায়ের নিরাপত্তার প্রশ্নে এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাননি জাফর। অবশেষে তারা নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হন, যেখানে আছিয়া খাতুন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পান।
জাফর আলমের এই আত্মত্যাগ ও মায়ের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। অনেকের কাছে এটি একজন সন্তানের দায়িত্ববোধ, মানবিকতা এবং মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার অনন্য উদাহরণ হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন