স্বপ্নের সংসদ ভবনে দেবীদ্বারের শিক্ষার্থীরা, অনুপ্রেরণার নতুন গল্পমেধার জোরে সংসদ ভবনে ১৫২ শিক্ষার্থী, সঙ্গে ৮ শিক্ষক — অনুপ্রেরণার এক ব্যতিক্রমী গল্প।
দেবীদ্বারের ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক এমন একটি অভিজ্ঞতার অংশ হয়েছেন, যা হয়তো তারা কোনোদিন কল্পনাও করেনি। দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান সংসদ ভবনে গিয়ে সরাসরি সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ পেয়েছেন তারা। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এই সুযোগ এসেছে শুধুমাত্র তাদের মেধা, পরিশ্রম ও অর্জনের কারণে।
কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়, কোনো সুপারিশ নয়, এমনকি কোনো বিশেষ সুবিধাও নয়—নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই তারা পৌঁছেছেন দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে। সংসদ ভবনের বিশাল পরিবেশ, দেশের আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তব চিত্র কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মনে নতুন স্বপ্নের জন্ম দিয়েছে।
শিক্ষকদের মতে, এ ধরনের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চিন্তা ও লক্ষ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। আজ যারা দর্শক সারিতে বসে সংসদ অধিবেশন দেখেছে, আগামী দিনে হয়তো তাদের মধ্য থেকেই কেউ দেশের নেতৃত্ব দেবে, কেউ হবে শিক্ষক, বিজ্ঞানী বা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
অনেকেই বলছেন, একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে বড় করে দেখার সুযোগ করে দেওয়া মানেই একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়ে দেওয়া। তাই মেধার সম্মান ও যোগ্যতার মূল্যায়ন আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
মেধার সম্মান হোক, যোগ্যতার জয় হোক—এমন প্রত্যাশাই সবার। ❤️

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
স্বপ্নের সংসদ ভবনে দেবীদ্বারের শিক্ষার্থীরা, অনুপ্রেরণার নতুন গল্পমেধার জোরে সংসদ ভবনে ১৫২ শিক্ষার্থী, সঙ্গে ৮ শিক্ষক — অনুপ্রেরণার এক ব্যতিক্রমী গল্প।
দেবীদ্বারের ১৫২ জন শিক্ষার্থী ও ৮ জন শিক্ষক এমন একটি অভিজ্ঞতার অংশ হয়েছেন, যা হয়তো তারা কোনোদিন কল্পনাও করেনি। দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান সংসদ ভবনে গিয়ে সরাসরি সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ পেয়েছেন তারা। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো—এই সুযোগ এসেছে শুধুমাত্র তাদের মেধা, পরিশ্রম ও অর্জনের কারণে।
কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়, কোনো সুপারিশ নয়, এমনকি কোনো বিশেষ সুবিধাও নয়—নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই তারা পৌঁছেছেন দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে। সংসদ ভবনের বিশাল পরিবেশ, দেশের আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বাস্তব চিত্র কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মনে নতুন স্বপ্নের জন্ম দিয়েছে।
শিক্ষকদের মতে, এ ধরনের অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চিন্তা ও লক্ষ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। আজ যারা দর্শক সারিতে বসে সংসদ অধিবেশন দেখেছে, আগামী দিনে হয়তো তাদের মধ্য থেকেই কেউ দেশের নেতৃত্ব দেবে, কেউ হবে শিক্ষক, বিজ্ঞানী বা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি।
অনেকেই বলছেন, একজন শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে বড় করে দেখার সুযোগ করে দেওয়া মানেই একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়ে দেওয়া। তাই মেধার সম্মান ও যোগ্যতার মূল্যায়ন আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
মেধার সম্মান হোক, যোগ্যতার জয় হোক—এমন প্রত্যাশাই সবার। ❤️

আপনার মতামত লিখুন