ভূরুঙ্গামারীতে ২৫ কুড়িগ্রাম-১ সংসদ সদস্য খাল খনন উদ্বোধন: শরিকদের বর্জন ও জামায়াত তোষণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ‘ঝুকিয়া খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে ১১ দলীয় জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও চরম সমন্বয়হীনতা প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। রোববার (১০ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম এই প্রকল্পের উদ্বোধন করলেও সেখানে জোটের অন্যতম শরিক দল **জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ অন্যান্য শরিকদের সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উদ্বোধনী মঞ্চে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে সংসদ সদস্যের সরব উপস্থিতি থাকলেও জোটের অংশীদারদের নূন্যতম আমন্ত্রণ না জানানোয় স্থানীয় রাজনীতিতে এখন ‘বিমাতাসুলভ আচরণ’ ও ‘সুবিধাবাদী রাজনীতির’ বিতর্ক তুঙ্গে। জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েও কেন শরিকদের ব্রাত্য রাখা হলো—এমন প্রশ্নে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
এনসিপি-র স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি, খালের জনগুরুত্বপূর্ণ এই কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছে। জোটের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচনের আগে শরিকদের গুরুত্ব দিলেও জয়ের পর সংসদ সদস্যের অবস্থানে রহস্যজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা সাফ জানিয়েছেন, শরিকদের এভাবে অবমূল্যায়ন করে একক আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা আগামী দিনের রাজনৈতিক ভারসাম্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতাদের প্রকাশ্য তোষণ ও উপস্থিতি সাধারণ জনগণের মনেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেকের সভাপতিত্বে এবং এএসপি মুনতাসির মামুনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকলেও এনসিপি ছিল সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। সদর, পাথরডুবী ও তিলাই ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝুকিয়া খালের ২ কিলোমিটার পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা। উন্নয়নমূলক এই কাজ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য থাকলেও উদ্বোধনী মঞ্চের রাজনৈতিক বৈষম্য ও জোটের ভাঙন দশা নিয়ে এখন সর্বত্র চলছে কঠোর সমালোচনা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—উন্নয়ন কি তবে কেবল নির্দিষ্ট কিছু দলের জন্য, নাকি জোটের সব শরিকের সম্মিলিত ত্যাগের ফসল?
*তারিখ:*১০ মে, ২০২৬
**স্থান:*ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ভূরুঙ্গামারীতে ২৫ কুড়িগ্রাম-১ সংসদ সদস্য খাল খনন উদ্বোধন: শরিকদের বর্জন ও জামায়াত তোষণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ
ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ‘ঝুকিয়া খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে ১১ দলীয় জোটের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও চরম সমন্বয়হীনতা প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। রোববার (১০ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম এই প্রকল্পের উদ্বোধন করলেও সেখানে জোটের অন্যতম শরিক দল **জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ অন্যান্য শরিকদের সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উদ্বোধনী মঞ্চে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে সংসদ সদস্যের সরব উপস্থিতি থাকলেও জোটের অংশীদারদের নূন্যতম আমন্ত্রণ না জানানোয় স্থানীয় রাজনীতিতে এখন ‘বিমাতাসুলভ আচরণ’ ও ‘সুবিধাবাদী রাজনীতির’ বিতর্ক তুঙ্গে। জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েও কেন শরিকদের ব্রাত্য রাখা হলো—এমন প্রশ্নে ক্ষুব্ধ তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
এনসিপি-র স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি, খালের জনগুরুত্বপূর্ণ এই কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে তাদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছে। জোটের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের মতে, নির্বাচনের আগে শরিকদের গুরুত্ব দিলেও জয়ের পর সংসদ সদস্যের অবস্থানে রহস্যজনক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা সাফ জানিয়েছেন, শরিকদের এভাবে অবমূল্যায়ন করে একক আধিপত্য কায়েমের চেষ্টা আগামী দিনের রাজনৈতিক ভারসাম্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতাদের প্রকাশ্য তোষণ ও উপস্থিতি সাধারণ জনগণের মনেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেকের সভাপতিত্বে এবং এএসপি মুনতাসির মামুনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকলেও এনসিপি ছিল সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। সদর, পাথরডুবী ও তিলাই ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝুকিয়া খালের ২ কিলোমিটার পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা। উন্নয়নমূলক এই কাজ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য থাকলেও উদ্বোধনী মঞ্চের রাজনৈতিক বৈষম্য ও জোটের ভাঙন দশা নিয়ে এখন সর্বত্র চলছে কঠোর সমালোচনা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—উন্নয়ন কি তবে কেবল নির্দিষ্ট কিছু দলের জন্য, নাকি জোটের সব শরিকের সম্মিলিত ত্যাগের ফসল?
*তারিখ:*১০ মে, ২০২৬
**স্থান:*ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।

আপনার মতামত লিখুন