ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আলোচনায় থেকেও বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না যারা

আলোচনায় থেকেও বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না যারা

গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়, চালায় নির্যা'তন: সংসদে শেখ ফরিদ মানিক

গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়, চালায় নির্যা'তন: সংসদে শেখ ফরিদ মানিক

৯নং চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন: মাদ'ক ও জুয়ামুক্ত আলোকিত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার

৯নং চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নে বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন: মাদ'ক ও জুয়ামুক্ত আলোকিত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার

এনসিপিতে জুলাই আন্দো'লনের ৩০ জনের যোগদান

এনসিপিতে জুলাই আন্দো'লনের ৩০ জনের যোগদান

যবিপ্রবিতে উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় হট্টগোল: ছাত্ররাজনীতি নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্‌বিতণ্ডা

যবিপ্রবিতে উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় হট্টগোল: ছাত্ররাজনীতি নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্‌বিতণ্ডা

মতলব দক্ষিণে জাতীয় ছাত্র-শক্তির কমিটি গঠন আহবায়ক তাহমিদ, সদস্য সচিব ফরহাদ

মতলব দক্ষিণে জাতীয় ছাত্র-শক্তির কমিটি গঠন আহবায়ক তাহমিদ, সদস্য সচিব ফরহাদ

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা মানি”—বললেন আন্দালিভ রহমান পার্থ

জুলাই সনদের প্রতিটি দফা মানি”—বললেন আন্দালিভ রহমান পার্থ

জুলাই শহীদদের পরিবার ও আ'হত যো''দ্ধাদের অরাজনৈতিক থাকার আহ্বান সারজিসের

জুলাই শহীদদের পরিবার ও আ'হত যো''দ্ধাদের অরাজনৈতিক থাকার আহ্বান সারজিসের

গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়, চালায় নির্যা'তন: সংসদে শেখ ফরিদ মানিক

গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়, চালায় নির্যা'তন: সংসদে শেখ ফরিদ মানিক
চাঁদপুর-৩ আসন চাঁদপুর সদর ও হাইমচর আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন।


চাঁদপুর-৩ আসন (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০০৭সালে তাকে গুম করার বিষয়েটি বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আট দশ জন লোক গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়৷ ঢাকা ব্যাংকে পে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪কোটি টাকা দিলাম। অন্তবর্তী মাধ্যমে যেন আমার সেই টাকাটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করি৷ মাননীয় স্পীকার ২০০৭সালে ২৭শে জুলাই বেলা ৩ঘটিকায় আমাকে বিশেষ সংস্থার নামধারী ৮/১০জন লোক গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়। শারীরিকভাবে নির্যাতন চালায়। এমন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে পরবর্তীতে শুনতে পেরেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


দীর্ঘ ৩মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একটি লোক এসে আমাকে বললেন আপনাকে কিছু টাকা দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টে। আমি বললাম আমি তো কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারি না। কোথায় দিব টাকা। তারপরও তারা শারীরিক নির্যাতন চালায়। ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে আমি আমার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করলাম এবং ঢাকা ব্যাংকে ফে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪ কোটি টাকা দিলাম।

পরবর্তীতে আমার কাছে আরো টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন করা হয়। আমি মুছলেখা দিলাম, আমি বের হওয়ার পরে এ টাকাগুলো ক্রমান্বয়ে দেওয়া হবে। আমাকে ২জানুয়ারী ২০০৮সালে মুক্তি দেওয়া হয়। আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রী এখানে উপস্থিত নাই, অন্তবর্তীর মাধ্যমে আমার সেই টাকাটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য আমি অনুরোধ করছি মাননীয় স্পীকার আপনার মাধ্যমে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়, চালায় নির্যা'তন: সংসদে শেখ ফরিদ মানিক

প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


চাঁদপুর-৩ আসন (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০০৭সালে তাকে গুম করার বিষয়েটি বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আট দশ জন লোক গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়৷ ঢাকা ব্যাংকে পে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪কোটি টাকা দিলাম। অন্তবর্তী মাধ্যমে যেন আমার সেই টাকাটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করি৷ মাননীয় স্পীকার ২০০৭সালে ২৭শে জুলাই বেলা ৩ঘটিকায় আমাকে বিশেষ সংস্থার নামধারী ৮/১০জন লোক গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়। শারীরিকভাবে নির্যাতন চালায়। এমন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে পরবর্তীতে শুনতে পেরেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।


দীর্ঘ ৩মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একটি লোক এসে আমাকে বললেন আপনাকে কিছু টাকা দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টে। আমি বললাম আমি তো কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারি না। কোথায় দিব টাকা। তারপরও তারা শারীরিক নির্যাতন চালায়। ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে আমি আমার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করলাম এবং ঢাকা ব্যাংকে ফে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪ কোটি টাকা দিলাম।

পরবর্তীতে আমার কাছে আরো টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন করা হয়। আমি মুছলেখা দিলাম, আমি বের হওয়ার পরে এ টাকাগুলো ক্রমান্বয়ে দেওয়া হবে। আমাকে ২জানুয়ারী ২০০৮সালে মুক্তি দেওয়া হয়। আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রী এখানে উপস্থিত নাই, অন্তবর্তীর মাধ্যমে আমার সেই টাকাটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য আমি অনুরোধ করছি মাননীয় স্পীকার আপনার মাধ্যমে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল