“এই দেশ আমাদের, অন্য কেউ এটি গড়ে দিয়ে যাবে না”—এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব এখন জনগণের হাতেই।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময়ের সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে, তা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়—এটি পুরো জাতির অর্জন। বিশেষ করে তরুণদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের এই অবদানকে সম্মান জানাতে হলে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে হলে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে গিয়ে দেশ ও মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, শুধুমাত্র সরকার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন বা অগ্রগতি বাইরের কারও ওপর নির্ভর করে আসবে না। নিজেদের সক্ষমতা, শ্রম ও ঐক্যের মাধ্যমেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এ জন্য নাগরিকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করে, তবে একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে—যে বাংলাদেশ হবে সকলের জন্য সমান সুযোগ ও ন্যায়ের প্রতীক।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
“এই দেশ আমাদের, অন্য কেউ এটি গড়ে দিয়ে যাবে না”—এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব এখন জনগণের হাতেই।
তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময়ের সংগ্রাম ও ত্যাগের মাধ্যমে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে, তা কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়—এটি পুরো জাতির অর্জন। বিশেষ করে তরুণদের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের এই অবদানকে সম্মান জানাতে হলে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে হলে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে গিয়ে দেশ ও মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তার মতে, শুধুমাত্র সরকার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বরং রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন বা অগ্রগতি বাইরের কারও ওপর নির্ভর করে আসবে না। নিজেদের সক্ষমতা, শ্রম ও ঐক্যের মাধ্যমেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এ জন্য নাগরিকদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
শেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করে, তবে একটি শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে—যে বাংলাদেশ হবে সকলের জন্য সমান সুযোগ ও ন্যায়ের প্রতীক।

আপনার মতামত লিখুন