চীন তাদের নৌবাহিনীর সক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণে জোর দিচ্ছে। China-এর People's Liberation Army Navy (পিএলএ নেভি) আধুনিক জাহাজনির্মাণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগে চীনের সাবমেরিন বহরের বড় অংশই ছিল ডিজেল-ইলেকট্রিক চালিত, যা দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ। কিন্তু নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনগুলো দীর্ঘ সময় পানির নিচে অবস্থান করতে পারে, দ্রুত গতিতে চলতে পারে এবং আরও উন্নত অস্ত্র বহনে সক্ষম—যা সামরিক শক্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে চীন শুধু নিজস্ব প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াচ্ছে না, বরং বৈশ্বিক নৌশক্তির ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে চাইছে। দীর্ঘদিন ধরে সাবমেরিন প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা United States-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এখন অনেকটাই এগিয়ে আসছে বেইজিং।
চীনের উন্নত জাহাজনির্মাণ শিল্প—যা বেসামরিক ও সামরিক উভয় খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে—এই অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে তারা দ্রুত নতুন সাবমেরিন তৈরি করে বহরে যুক্ত করতে পারছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক সাবমেরিন কার্যকরভাবে মোতায়েন করা হলে, ভবিষ্যতে সমুদ্রপথে চীনের উপস্থিতি ও প্রভাব আরও অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
চীন তাদের নৌবাহিনীর সক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণে জোর দিচ্ছে। China-এর People's Liberation Army Navy (পিএলএ নেভি) আধুনিক জাহাজনির্মাণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগে চীনের সাবমেরিন বহরের বড় অংশই ছিল ডিজেল-ইলেকট্রিক চালিত, যা দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ। কিন্তু নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনগুলো দীর্ঘ সময় পানির নিচে অবস্থান করতে পারে, দ্রুত গতিতে চলতে পারে এবং আরও উন্নত অস্ত্র বহনে সক্ষম—যা সামরিক শক্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে চীন শুধু নিজস্ব প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াচ্ছে না, বরং বৈশ্বিক নৌশক্তির ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে চাইছে। দীর্ঘদিন ধরে সাবমেরিন প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা United States-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এখন অনেকটাই এগিয়ে আসছে বেইজিং।
চীনের উন্নত জাহাজনির্মাণ শিল্প—যা বেসামরিক ও সামরিক উভয় খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে—এই অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে তারা দ্রুত নতুন সাবমেরিন তৈরি করে বহরে যুক্ত করতে পারছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক সাবমেরিন কার্যকরভাবে মোতায়েন করা হলে, ভবিষ্যতে সমুদ্রপথে চীনের উপস্থিতি ও প্রভাব আরও অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

আপনার মতামত লিখুন