কুষ্টিয়ার একটি গ্রামে কথিত এক পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একজন নিহত এবং অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। শনিবার এ ঘটনা ঘটে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে একদল লোক ওই আস্তানায় হামলা চালায়।
হামলার সময় আস্তানায় ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে আস্তানার প্রধান হিসেবে পরিচিত আব্দুর রহমান ওরফে শামিম (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আতঙ্কে আশপাশের বাসিন্দারা নিরাপদ স্থানে সরে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের একটি অংশ দাবি করেছেন, অভিযোগ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছিল। তবে অন্যরা বলছেন, ঘটনার আগে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই হঠাৎ করে হামলা চালানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ????????

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
কুষ্টিয়ার একটি গ্রামে কথিত এক পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একজন নিহত এবং অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। শনিবার এ ঘটনা ঘটে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে একদল লোক ওই আস্তানায় হামলা চালায়।
হামলার সময় আস্তানায় ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে আস্তানার প্রধান হিসেবে পরিচিত আব্দুর রহমান ওরফে শামিম (৬০) গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে দুজনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আতঙ্কে আশপাশের বাসিন্দারা নিরাপদ স্থানে সরে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের একটি অংশ দাবি করেছেন, অভিযোগ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তেজনা তৈরি হচ্ছিল। তবে অন্যরা বলছেন, ঘটনার আগে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই হঠাৎ করে হামলা চালানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ????????

আপনার মতামত লিখুন