ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে বিএনপি সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক দুই আসনের নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর ভাষায়, “যেই লাউ সেই কদু”—এতদিন ধরে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারও একই ধরনের ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করছে এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবতার ফারাক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, দেশের জনগণ অতীতে ফ্যাসিবাদ মেনে নেয়নি, এখনও নেবে না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই যেকোনো নতুন ফ্যাসিবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের ফলাফল ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সমতার অভাব থাকলে জনগণের আস্থা নষ্ট হয় এবং রাজনৈতিক বিভাজন গভীরতর হয়। তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে এবং যেকোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী আচরণের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, অতীতের মতোই এবারও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই চলবে। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সরকার টেকসই হতে পারে না—এমন মন্তব্য করে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে বিএনপি সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা
বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক দুই আসনের নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর ভাষায়, “যেই লাউ সেই কদু”—এতদিন ধরে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারও একই ধরনের ফ্যাসিবাদী পথ অনুসরণ করছে এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবতার ফারাক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, দেশের জনগণ অতীতে ফ্যাসিবাদ মেনে নেয়নি, এখনও নেবে না। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই যেকোনো নতুন ফ্যাসিবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনের ফলাফল ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁর দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সমতার অভাব থাকলে জনগণের আস্থা নষ্ট হয় এবং রাজনৈতিক বিভাজন গভীরতর হয়। তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে এবং যেকোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী আচরণের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, অতীতের মতোই এবারও গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই চলবে। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সরকার টেকসই হতে পারে না—এমন মন্তব্য করে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি গণতান্ত্রিক আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

আপনার মতামত লিখুন