ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা Reuters। তার ঘনিষ্ঠ মহলের তিনজন ব্যক্তির বরাতে বলা হয়েছে, ওই হামলায় তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে গেছে এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে; এমনকি একটি পা হারানোর আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি এখনো চিকিৎসাধীন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাটি হয়েছিল তেহরানে সর্বোচ্চ নেতার কম্পাউন্ডে, যেখানে সংঘটিত বিস্ফোরণে তার পিতা নিহত হন এবং একই ঘটনায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। ওই হামলার পর থেকেই তার মুখে স্থায়ী বিকৃতি দেখা দিয়েছে এবং এক বা উভয় পায়ে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তবে শারীরিকভাবে গুরুতর আহত হলেও তিনি মানসিকভাবে সচেতন রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সূত্রগুলো বলছে, তিনি সরাসরি জনসম্মুখে না এলেও অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন এবং যুদ্ধ ও কূটনৈতিক আলোচনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখছেন।
এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে সক্রিয় রয়েছেন এবং চিকিৎসার মধ্যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার জনসম্মুখে অনুপস্থিতির কারণ হিসেবেও গুরুতর আঘাতের বিষয়টি সামনে এসেছে।
এই তথ্যগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পক্ষ থেকে বিস্তারিতভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ইরানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং চলমান সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
তার শারীরিক আঘাত সত্ত্বেও মোজতবা খামেনি এখনও নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন—তবে তার বাস্তব শারীরিক অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা Reuters। তার ঘনিষ্ঠ মহলের তিনজন ব্যক্তির বরাতে বলা হয়েছে, ওই হামলায় তার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে গেছে এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে; এমনকি একটি পা হারানোর আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি এখনো চিকিৎসাধীন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাটি হয়েছিল তেহরানে সর্বোচ্চ নেতার কম্পাউন্ডে, যেখানে সংঘটিত বিস্ফোরণে তার পিতা নিহত হন এবং একই ঘটনায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। ওই হামলার পর থেকেই তার মুখে স্থায়ী বিকৃতি দেখা দিয়েছে এবং এক বা উভয় পায়ে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তবে শারীরিকভাবে গুরুতর আহত হলেও তিনি মানসিকভাবে সচেতন রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সূত্রগুলো বলছে, তিনি সরাসরি জনসম্মুখে না এলেও অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন এবং যুদ্ধ ও কূটনৈতিক আলোচনাসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখছেন।
এদিকে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে সক্রিয় রয়েছেন এবং চিকিৎসার মধ্যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার জনসম্মুখে অনুপস্থিতির কারণ হিসেবেও গুরুতর আঘাতের বিষয়টি সামনে এসেছে।
এই তথ্যগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পক্ষ থেকে বিস্তারিতভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ইরানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং চলমান সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।
তার শারীরিক আঘাত সত্ত্বেও মোজতবা খামেনি এখনও নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছেন—তবে তার বাস্তব শারীরিক অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন