দুর্নীতির মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ড পেলেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট
জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার পটভূমি
মামলার নথি অনুযায়ী, সম্রাটের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তার বৈধ আয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়ার দাবি করে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাটি করেন সংস্থাটির উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, যিনি পরবর্তীতে তদন্তও পরিচালনা করেন।
তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে আদালতে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
শুনানি ও রায়
রায় ঘোষণার আগে দুদকের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর নুরে আলম। আদালতে উপস্থাপিত নথি, সাক্ষ্য ও আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ করে বিচারক রায় প্রদান করেন।
মামলার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ হয়নি বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। আইন অনুযায়ী পৃথক দুই ধারায় দণ্ড নির্ধারণ করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আগের দণ্ডাদেশ
এর আগে অস্ত্র আইনের একটি পৃথক মামলায় সম্রাটকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ফলে এই নতুন দণ্ডাদেশ তার বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত করল।
আইনজীবীদের মতে, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আপিল করা হলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে চূড়ান্ত ফলাফল।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুর্নীতির মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ড পেলেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট
জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার পটভূমি
মামলার নথি অনুযায়ী, সম্রাটের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তার বৈধ আয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়ার দাবি করে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাটি করেন সংস্থাটির উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম, যিনি পরবর্তীতে তদন্তও পরিচালনা করেন।
তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে আদালতে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
শুনানি ও রায়
রায় ঘোষণার আগে দুদকের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন পাবলিক প্রসিকিউটর নুরে আলম। আদালতে উপস্থাপিত নথি, সাক্ষ্য ও আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ করে বিচারক রায় প্রদান করেন।
মামলার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ হয়নি বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। আইন অনুযায়ী পৃথক দুই ধারায় দণ্ড নির্ধারণ করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
আগের দণ্ডাদেশ
এর আগে অস্ত্র আইনের একটি পৃথক মামলায় সম্রাটকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ফলে এই নতুন দণ্ডাদেশ তার বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত করল।
আইনজীবীদের মতে, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আপিল করা হলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে চূড়ান্ত ফলাফল।

আপনার মতামত লিখুন