খাগড়াছড়িতে ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন ও জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া-কে ভোট দেওয়ার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গ্রুপগুলো নিরীহ পাহাড়িদের মারধর ও হুমকি দিচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পানছড়ি, দীঘিনালা, বেলছড়ি, গোমতি, তবলছড়ি ও রামগড়-এর যেসব কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে বেশি ভোট পড়েছে, সেসব এলাকায় বসবাসরত পাহাড়ি পরিবারগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘জরিমানা’ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে জেলার চাকমা, ত্রিপুরা ও মারমা সম্প্রদায়ের অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কেউ কেউ বাড়িঘর ছেড়ে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
খাগড়াছড়িতে ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন ও জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া-কে ভোট দেওয়ার অভিযোগে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গ্রুপগুলো নিরীহ পাহাড়িদের মারধর ও হুমকি দিচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পানছড়ি, দীঘিনালা, বেলছড়ি, গোমতি, তবলছড়ি ও রামগড়-এর যেসব কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে বেশি ভোট পড়েছে, সেসব এলাকায় বসবাসরত পাহাড়ি পরিবারগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘জরিমানা’ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে জেলার চাকমা, ত্রিপুরা ও মারমা সম্প্রদায়ের অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কেউ কেউ বাড়িঘর ছেড়ে আত্মীয়-স্বজনের বাসায় আশ্রয় নিয়েছেন বলেও জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন