গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি আসনে ভোটের আগে ও পরে ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরীর নির্দিষ্ট ১৩টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট ৯৬ ঘণ্টা সব ধরনের জনসভা, মিছিল, শোভাযাত্রা ও রাজনৈতিক সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ঢাকা মহানগরীর রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা এড়ানোর লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৯৬ ঘণ্টা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা ব্যক্তি জনসভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, প্রচার র্যালি কিংবা বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করতে পারবে না। একই সঙ্গে মাইকিং বা জনসমাগম সৃষ্টি করতে পারে—এমন কার্যক্রমও নিষিদ্ধ থাকবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন মনে করছে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ ঘিরে রাজধানী ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিবেচনায় থাকা এই ১৩টি আসনে সভা-সমাবেশের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি আসনে ভোটের আগে ও পরে ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগরীর নির্দিষ্ট ১৩টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট ৯৬ ঘণ্টা সব ধরনের জনসভা, মিছিল, শোভাযাত্রা ও রাজনৈতিক সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ঢাকা মহানগরীর রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা এড়ানোর লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত, অর্থাৎ মোট ৯৬ ঘণ্টা।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কোনো রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা ব্যক্তি জনসভা, সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, প্রচার র্যালি কিংবা বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করতে পারবে না। একই সঙ্গে মাইকিং বা জনসমাগম সৃষ্টি করতে পারে—এমন কার্যক্রমও নিষিদ্ধ থাকবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন মনে করছে, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ ঘিরে রাজধানী ঢাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিবেচনায় থাকা এই ১৩টি আসনে সভা-সমাবেশের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন