গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া: শারমীন এস মুরশিদ
সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে জনগণের সরাসরি মতামত গ্রহণের একমাত্র প্রকৃত ও গণতান্ত্রিক পথ হলো গণভোট।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণই চূড়ান্ত ক্ষমতার উৎস। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্ষমতা কার্যত জনগণের হাতছাড়া হয়ে গেছে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি তাদের মতামত জানাতে পারলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোট শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, এটি জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি মাধ্যম। গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সাংবিধানিক পরিবর্তন কিংবা জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়া হলে রাষ্ট্র আরও জবাবদিহিমূলক ও জনগণকেন্দ্রিক হয়ে উঠবে।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, বাংলাদেশ পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজন নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না, বরং জনগণের সম্মতির ভিত্তিতেই গৃহীত হবে। গণভোট সেই সংস্কৃতি গড়ে তোলার একটি কার্যকর হাতিয়ার।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিলে রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া: শারমীন এস মুরশিদ
সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া মানে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে জনগণের সরাসরি মতামত গ্রহণের একমাত্র প্রকৃত ও গণতান্ত্রিক পথ হলো গণভোট।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণই চূড়ান্ত ক্ষমতার উৎস। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্ষমতা কার্যত জনগণের হাতছাড়া হয়ে গেছে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি তাদের মতামত জানাতে পারলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, গণভোট শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়, এটি জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি মাধ্যম। গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সাংবিধানিক পরিবর্তন কিংবা জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জনগণের সরাসরি মতামত নেওয়া হলে রাষ্ট্র আরও জবাবদিহিমূলক ও জনগণকেন্দ্রিক হয়ে উঠবে।
উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, বাংলাদেশ পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজন নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হবে না, বরং জনগণের সম্মতির ভিত্তিতেই গৃহীত হবে। গণভোট সেই সংস্কৃতি গড়ে তোলার একটি কার্যকর হাতিয়ার।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিলে রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন