ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আজাদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ – মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আজ (বুধবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
আদালতের সূত্রে জানা গেছে, আজাদ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেও দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তার আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পথে প্রথম ধাপ সম্পন্ন হলো।
আদালতে তার বিরুদ্ধে মোট ৮টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অপহরণ, অগ্নিসংযোগ এবং সম্পদ লুণ্ঠন। আদালত ইতিমধ্যে এই মামলায় তাকে ৭টিতে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
আজাদ জামায়াতের সাবেক রোকন হিসেবে উল্লেখিত এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি।
আত্মসমর্পণের পর এখন আদালত তার আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। এর মধ্যে আপিল, রিভিউ বা অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
এই ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আসামির আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আজাদ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ – মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আজ (বুধবার) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
আদালতের সূত্রে জানা গেছে, আজাদ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৩ সালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলেও দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। আজ তার আত্মসমর্পণের মাধ্যমে আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার পথে প্রথম ধাপ সম্পন্ন হলো।
আদালতে তার বিরুদ্ধে মোট ৮টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অপহরণ, অগ্নিসংযোগ এবং সম্পদ লুণ্ঠন। আদালত ইতিমধ্যে এই মামলায় তাকে ৭টিতে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
আজাদ জামায়াতের সাবেক রোকন হিসেবে উল্লেখিত এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ কার্যক্রমে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করার কারণে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি।
আত্মসমর্পণের পর এখন আদালত তার আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। এর মধ্যে আপিল, রিভিউ বা অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
এই ঘটনার পর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা আসামির আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন