ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের দণ্ড: রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় রায়

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের দণ্ড: রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় রায়
সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের দণ্ড: রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় রায় ঢাকার পূর্বাচল প্রকল্পের রাজউক প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের অংশ হিসেবে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। --- একই মামলায় মোট আসামি ৪৭ জন   এই তিন মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৭ হলেও ব্যক্তি অনুসারে সংখ্যা ২৩। শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ছাড়াও বাকি ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন—   সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ   পূরবী গোলদার, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব   রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা   প্রাক্তন সদস্য শফি উল হক, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন   মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী   রাজউকের উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ   প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম   অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন   সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার   অন্যান্য সদস্য, পরিচালক ও উপপরিচালকরা   প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন   এই সকল আসামির মধ্যে শুধুমাত্র খুরশীদ আলম বর্তমানে কারাগারে আছেন।   ---   শেখ হাসিনার শাস্তি   এ তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা ঘোষণা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ১৮ মাসের কারাদণ্ড যোগ হবে। --- দুদকের অভিযোগ ও মামলার পটভূমি   দুদকের অভিযোগে বলা হয়—   রাজধানীতে জমি থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করা হয়   রাজউকের নীতি ভঙ্গ করে প্রধানমন্ত্রী থাকার সুযোগে নিজের ও সন্তানদের নামে প্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়   জমির জন্য মিথ্যা হলফনামাও দাখিল করা হয়     ৯১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণে এসব তথ্য আদালতে উপস্থাপিত হয়। তাদের বিরুদ্ধে সমন, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউই আদালতে হাজির হননি। ফলে পলাতক আসামি হিসেবেই মামলার পুরো বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।   --- রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তদন্ত গতি পায়   গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ একে একে তদন্তের আওতায় আসতে শুরু করে। রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলাগুলো তারই একটি অংশ।   ঢাকার পূর্বাচল প্রকল্পের রাজউক প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের অংশ হিসেবে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।   একই মামলায় মোট আসামি ৪৭ জন   এই তিন মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৭ হলেও ব্যক্তি অনুসারে সংখ্যা ২৩। শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ছাড়াও বাকি ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন—   সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ   পূরবী গোলদার, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব   রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা   প্রাক্তন সদস্য শফি উল হক, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন   মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী   রাজউকের উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ   প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম   অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন   সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার   অন্যান্য সদস্য, পরিচালক ও উপপরিচালকরা   প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন   এই সকল আসামির মধ্যে শুধুমাত্র খুরশীদ আলম বর্তমানে কারাগারে আছেন।   ---শেখ হাসিনার শাস্তি   এ তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা ঘোষণা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ১৮ মাসের কারাদণ্ড যোগ হবে। --- দুদকের অভিযোগ ও মামলার পটভূমি   দুদকের অভিযোগে বলা হয়—   রাজধানীতে জমি থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করা হয়   রাজউকের নীতি ভঙ্গ করে প্রধানমন্ত্রী থাকার সুযোগে নিজের ও সন্তানদের নামে প্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়   জমির জন্য মিথ্যা হলফনামাও দাখিল করা হয় ৯১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণে এসব তথ্য আদালতে উপস্থাপিত হয়। তাদের বিরুদ্ধে সমন, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউই আদালতে হাজির হননি। ফলে পলাতক আসামি হিসেবেই মামলার পুরো বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। --- রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তদন্ত গতি পায়   গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ একে একে তদন্তের আওতায় আসতে শুরু করে। রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলাগুলো তারই একটি অংশ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের দণ্ড: রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় রায়

প্রকাশের তারিখ : ২৭ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের দণ্ড: রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলায় রায় ঢাকার পূর্বাচল প্রকল্পের রাজউক প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের অংশ হিসেবে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। --- একই মামলায় মোট আসামি ৪৭ জন   এই তিন মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৭ হলেও ব্যক্তি অনুসারে সংখ্যা ২৩। শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ছাড়াও বাকি ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন—   সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ   পূরবী গোলদার, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব   রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা   প্রাক্তন সদস্য শফি উল হক, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন   মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী   রাজউকের উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ   প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম   অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন   সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার   অন্যান্য সদস্য, পরিচালক ও উপপরিচালকরা   প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন   এই সকল আসামির মধ্যে শুধুমাত্র খুরশীদ আলম বর্তমানে কারাগারে আছেন।   ---   শেখ হাসিনার শাস্তি   এ তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা ঘোষণা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ১৮ মাসের কারাদণ্ড যোগ হবে। --- দুদকের অভিযোগ ও মামলার পটভূমি   দুদকের অভিযোগে বলা হয়—   রাজধানীতে জমি থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করা হয়   রাজউকের নীতি ভঙ্গ করে প্রধানমন্ত্রী থাকার সুযোগে নিজের ও সন্তানদের নামে প্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়   জমির জন্য মিথ্যা হলফনামাও দাখিল করা হয়     ৯১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণে এসব তথ্য আদালতে উপস্থাপিত হয়। তাদের বিরুদ্ধে সমন, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউই আদালতে হাজির হননি। ফলে পলাতক আসামি হিসেবেই মামলার পুরো বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।   --- রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তদন্ত গতি পায়   গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ একে একে তদন্তের আওতায় আসতে শুরু করে। রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলাগুলো তারই একটি অংশ।   ঢাকার পূর্বাচল প্রকল্পের রাজউক প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে করা তিনটি পৃথক মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের অংশ হিসেবে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।   একই মামলায় মোট আসামি ৪৭ জন   এই তিন মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৭ হলেও ব্যক্তি অনুসারে সংখ্যা ২৩। শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ছাড়াও বাকি ২০ জনের মধ্যে রয়েছেন—   সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ   পূরবী গোলদার, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব   রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা   প্রাক্তন সদস্য শফি উল হক, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন   মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী   রাজউকের উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ   প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম   অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন   সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার   অন্যান্য সদস্য, পরিচালক ও উপপরিচালকরা   প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন   এই সকল আসামির মধ্যে শুধুমাত্র খুরশীদ আলম বর্তমানে কারাগারে আছেন।   ---শেখ হাসিনার শাস্তি   এ তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা ঘোষণা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ১৮ মাসের কারাদণ্ড যোগ হবে। --- দুদকের অভিযোগ ও মামলার পটভূমি   দুদকের অভিযোগে বলা হয়—   রাজধানীতে জমি থাকা সত্ত্বেও তা গোপন করা হয়   রাজউকের নীতি ভঙ্গ করে প্রধানমন্ত্রী থাকার সুযোগে নিজের ও সন্তানদের নামে প্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়   জমির জন্য মিথ্যা হলফনামাও দাখিল করা হয় ৯১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণে এসব তথ্য আদালতে উপস্থাপিত হয়। তাদের বিরুদ্ধে সমন, গ্রেফতারি পরোয়ানা ও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউই আদালতে হাজির হননি। ফলে পলাতক আসামি হিসেবেই মামলার পুরো বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। --- রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তদন্ত গতি পায়   গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ একে একে তদন্তের আওতায় আসতে শুরু করে। রাজউক প্লট দুর্নীতি মামলাগুলো তারই একটি অংশ।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল